সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

৭.২ মাত্রার ভূমিকম্পে থরথরিয়ে কেঁপে উঠল পাপুয়া নিউগিনি

৩:১১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, মে ৭, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পাপুয়া নিউগিনি। মার্কিন ভূতত্ব বিশেষজ্ঞ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভূকম্পের কেন্দ্র ছিল মাটি থেকে ১২৭ কিমি গভীরে। আর অবস্থান বুলোলো শহর থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে।

পাপুয়া নিউগিনির রাজধানী পোর্ট মরেসবিতেও কম্পন অনুভূত হয়। একই দিনে দ্বিতীয় বার কাঁপল পাপুয়া নিউগিনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।

সোমবার দুপুর ২.১৩ মিনিটে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পানগুয়ানা। শহর থেকে ৭৬ কিমি পশ্চিমে ও মাটি থেকে ৫৯ কিমি গভীরে ছিল এর উত্‍স। এই কম্পনেও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।

এর আগে, জানা গিয়েছিল পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে উঠে আসতে পারে বড়সড় কম্পন। যা মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে বিশ্বকে। আগামী দুদিনের মধ্যে ৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের সাবধানবাণী শুনিয়েছিলেন ভূতত্ববিদরা।

সৌরজগতের অবস্থানগত কিছু পরিবর্তনের জন্য পৃথিবীতে এই ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় যার নাম ক্রিটিক্যাল জিওমেট্রি। ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ডিট্রিনিয়াম জানাচ্ছে, সৌরজগতে বুধ, মঙ্গল ও নেপচুন গ্রহের অবস্থানগত পরিবর্তনের কারণে ফল ভুগতে হতে পারে পৃথিবীকে। পরিবর্তন হবে সূর্যের অবস্থানেরও। ফলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে পৃথিবীর ওপর।

গ্রহ ও সূর্যের পারস্পরিক টান ও মাধ্যকর্ষণ শক্তির বাড়া কমার প্রভাবেই এই কম্পনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানী ও ডিট্রিনায়াম ওয়েবসাইটের সম্পাদক ফ্রাংক হুগারবিটস জানান, মাধ্যকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর টেকটনিক পাতের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে। ফলে এই পাতগুলিও একে অপরের দিকে সরে আসতে পারে। যার জেরে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির আশংকা থাকছে।

উল্লেখ্য, গত ১০০ বছরে যখনই পৃথিবীর কক্ষপথে তার গতিতে পরিবর্তন এসেছে, তখনই কোনও না কোনও বড় সড় ভূমিকম্প হয়েছে। এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে জিওলজিকাল সোসাইটি অব আমেরিকার বার্ষিক সম্মেলনে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে গেলে বিষুবরেখা সংলগ্ন এলাকার প্রসারন কমে আসে। কিন্তু টেকটোনিক পাতগুলির সহজে সংকোচন হয় না। ফলে টান বাড়ে পৃথিবীর ভরকেন্দ্রে। তৈরি হয় কম্পন।