• আজ ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অবিশ্বাস্য জয়ে মেসিদের কাঁদিয়ে ফাইনালে লিভারপুল

১:০৮ অপরাহ্ণ | বুধবার, মে ৮, ২০১৯ খেলা

স্পোর্টস্ আপডেট ডেস্ক :: এ এক অন্যরকম প্রত্যাবর্তন। শতাব্দীর সেরা বলা যাবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। ২০০৫ সালে ইস্তানবুলে এসি মিলানের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে প্রথমার্ধে ৩ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেছিল লিভারপুল। দ্বিতীয়ার্ধে ৩ গোল শোধ করে টাইব্রেকারে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল লিভারপুল।

২০১৯ সালে সেই স্মৃতিই ফিরিয়ে আনল তারা। এবার অ্যানফিল্ডে। প্রথম দফায় জোড়া গোল করলেও মেসি দ্বিতীয় দফায় দলের জন্য কিছুই করতে পারলেন না।

প্রথম দফায় ০-৩ ব্যবধানে হার। এমনটা যে হবে তা অতিবড় লিভারপুল সমর্থকও হয়তো ভাবেননি। মোহাম্মদ সালা, রবার্তো ফির্মিনো না থাকলেও প্রথম লেগে ৩ গোলে এগিয়ে থাকা বার্সেলোনাকে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে লিভারপুল। ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের হাতছানি লিভারপুলের সামনে। দুই দফা মিলিয়ে লিভারপুল জিতল ৪-৩ ব্যবধানে।

৭ মিনিটেই দিভক ওরিগি এগিয়ে দিয়েছিলেন লিভারপুলকে। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। বিরতির পর টানা দুটো গোল করে লিভারপুল। ৫৪ ও ৫৬ মিনিটে জিওর্জিনিও উইজনালডামের জোড়া গোল। ৭৯ মিনিটে দলের চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ওরিগি।

ম্যাচ শেষে লিভারপুল কোচ জুরগেন ক্লপ বলেছেন, যে কোনও দলের বিরুদ্ধেই কাজটা অসম্ভব। বার্সা মানসিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী। তবে এই মৌশুমটা আমাদের দারুণ যাচ্ছে। এই দলের ম্যানেজার হতে পেরে আমি গর্বিত। মঙ্গলবার রাতে ফুটবলাররা অসাধ্য সাধন করেছে। যা আমার চিরকাল মনে থাকবে।

বুধবার রাতে অপর সেমিফাইনালে আয়াক্সের সামনে টটেনহাম। প্রথম পর্বে আয়াক্স ১-০ জিতেছিল। রিয়েল মাদ্রিদ, জুভেন্টাসের মতো দলকে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে ডাচ তরুণরা। তাই ঘরের মাঠে খেলা হলেও কাজটা সহজ নয় টটেনহামের। তার উপর চোটের জন্য হ্যারি কেন নেই। ফাইনাল ১ জুন মাদ্রিদে। লিভারপুলের সামনে কে?‌ জানা যাবে আজ রাতে।