সংবাদ শিরোনাম
স্কুলছাত্রী প্রেমিকাকে বেড়াতে নিয়ে বন্ধুকে সাথে করে শিক্ষকের গণধর্ষণ! | আজ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২ ফ্লাইওভার ৪ আন্ডারপাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী | মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি রোধে নারী মেন্টর রাখার সিদ্ধান্ত | ‘নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে রাজনীতি করবে জাসদ’- ইনু | টাঙ্গাইলে পুলিশি অভিযানে এক ব্যক্তির মৃত্যু ! সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ | ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটাকে অনেক উচ্চতায় নিয়েছে’- কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক | ছাত্রলীগের নিজস্ব নিউজপোর্টালের যাত্রা শুরু | মোদি ও অমিত শাহকে অভিনন্দন জানালেন ড. কামাল | কার্ডিফে টাইগারদের জন্য খুদে ভক্তদের উন্মাদনা (ভিডিওসহ) | অনুশীলনের ফাঁকে মাহমুদউল্লাহর ইমামতিতে ‘জুমার নামাজ’ আদায় করলো টাইগাররা |
  • আজ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

যত ইচ্ছা মদ-ধূমপানের পরামর্শ খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

২:৪৩ অপরাহ্ণ | বুধবার, মে ৮, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- মানুষ যতটা চায় তাদের ততটা মদ্যপান, ধূমপান এবং মাংস খেতে দেয়া উচিৎ। এমন মন্তব্যের জেরে বিপাকে পড়েছেন নরওয়ের নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলভি লিসথাগ। খবর বিবিসির।

শুক্রবার দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ পান সিলভি লিসথাগ। দুই দিন পরই সোমবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি জনস্বাস্থ্য নিয়ে এ বিতর্কিত মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “জনগণ যতটা চায় ততটা তাদের ধূমপান ও মদ্যপান করতে এবং লাল মাংস খেতে দেওয়া উচিত। মানুষ নিজেই জানে কোনটি তাদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত আর কোনটি স্বাস্থ্যসম্মত নয়।”

অভিবাসন বিরোধী হিসাবে পরিচিত এই রাজনীতিক বেশ জনপ্রিয় হলেও এ মন্তব্য করে সমালোচিত হচ্ছেন তিনি। সমালোচকেরা বলেন, “জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে তার খুব একটা ধারণাই নেই।”

নিজেও আগে ধূমপায়ী ছিলেন তিনি। তার মতে ধূমপায়ীদের বিরুদ্ধে এমন একটি অবস্থায় নেওয়া হয়েছে যে মনে হচ্ছে তাদের যে তারা বহিরাগত।

সিলভি বলেন, “আমি মনে করি অনেক ধূমপায়ীই নিজেদের বহিরাগত মনে করে। তাদের অধিকাংশই মনে করে, তাদের গোপনেই থাকা উচিত। যদিও ধূমপান ভালো নয় কারণ এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু তারপরেও প্রাপ্তবয়স্কদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কি চায়।”

তিনি বলেন, “সরকার শুধু তথ্য দিয়ে মানুষকে সহায়তা করতে পারে। এ জন্য একটি টোব্যাকো নীতিমালা থাকা উচিত যেটা তরুণদের ধূমপানে উৎসাহিত করতে বাধা দেবে।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের সমালোচনায় নরওয়ের ক্যানসার সোসাইটির সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী মন্তব্যগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।”

লিসথাগের জন্য অবশ্য বিতর্কিত মন্তব্য নতুন কোনো বিষয় নয়। বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে গত বছরও তিনি মন্ত্রিপরিষদ থেকে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন।