সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৬ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

হঠাৎ নিত্যপণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী

৫:১২ অপরাহ্ণ | বুধবার, মে ৮, ২০১৯ ঢাকা, দেশের খবর

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি- টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে হঠাৎ করেই নিত্যপত্যণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী। রমজানের শুরুতেই বাজারের শাকসবজি থেকে শুরু করে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও উর্ধ্বমুখী। তবে খুচরা বিক্রেতাদের প্রায় সবাই পাইকারদের উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন।

বুধবার (৮ মে) সরজমিনে মির্জাপুর সদরের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা, একইভাবে দেশি শসাও কেজিতে ১০ টাকা, আদা কেজিতে ৪০-৬০ টাকা, গাজর কেজিতে ১৫-২০ টাকা, পেঁয়াজ কেজিতে ৭ টাকা, ডাল কেজিতে ২০-১৫ টাকা, আলু কেজিতে ১০ টাকা, রসুন কেজিতে ২০-৩০ টাকা, মুরগি ২০-৩০ টাকা এবং গরুর মাংস কেজিতে বেড়ে প্রায় ১০০ টাকা, কারকল কেজিতে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও সয়াবিন তৈল, ছোলা, কলা ও নানা ধরণের ফলের দামও উর্ধ্বমুখী।

তবে পণ্যের এমন দাম বৃদ্ধিতেও টাঙানো হয়নি মূল্য তালিকা! যার কারণে আচমকা বাড়তি পণ্যের দামে ক্রেতারা হয়রানি হচ্ছে। হঠাৎ করে এমনভাবে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়াতে বেসামাল হওয়ার কথা জানিয়েছেন সাধারণ জনগণ। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের শেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী ঢাকার বাজার দরের চাইতে মির্জাপুরের বাজার দর বেশি।

দাম বাড়ানোর ব্যাপারে কয়েকজন খুচরা বিক্রেতাদের সাথে কথা হলে তারা সরাসরি পাইকারদের উপর দোষ দাপিয়ে দিয়ে বলেন, কাঁচা মরিচ, টমেটো, লেবু ব্যতিত অন্যান্য সকল কিছুরই দাম বাড়তি দিয়ে পাইকারদের কাছ থেকে ক্রয় করতে হয়। আমরা যদি পূর্বের মতো জিনিসের দামে ক্রয় করি তাহলে লাভ তো দূরের কথা মূলধনের টাকাও মিলবে না।

হঠাৎ দাম বৃদ্ধি পেয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাওয়াতে কয়েকজন ক্রেতা বলেন, অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়তে থাকলে আমাদের কি হবে? সাধারণ জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সুদৃষ্টি দিয়ে বাজার মনিটরিং এবং অতিদ্রুত বাজার স্থিতিশীল করার জন্যও দাবি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক জানান, কেউ যদি সিন্ডিকেট করে দ্রব্যের মূল্য বাড়ায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।