সংবাদ শিরোনাম
স্কুলছাত্রী প্রেমিকাকে বেড়াতে নিয়ে বন্ধুকে সাথে করে শিক্ষকের গণধর্ষণ! | আজ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২ ফ্লাইওভার ৪ আন্ডারপাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী | মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি রোধে নারী মেন্টর রাখার সিদ্ধান্ত | ‘নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে রাজনীতি করবে জাসদ’- ইনু | টাঙ্গাইলে পুলিশি অভিযানে এক ব্যক্তির মৃত্যু ! সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ | ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটাকে অনেক উচ্চতায় নিয়েছে’- কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক | ছাত্রলীগের নিজস্ব নিউজপোর্টালের যাত্রা শুরু | মোদি ও অমিত শাহকে অভিনন্দন জানালেন ড. কামাল | কার্ডিফে টাইগারদের জন্য খুদে ভক্তদের উন্মাদনা (ভিডিওসহ) | অনুশীলনের ফাঁকে মাহমুদউল্লাহর ইমামতিতে ‘জুমার নামাজ’ আদায় করলো টাইগাররা |
  • আজ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পরকীয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মামীকে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করল ভাগ্নে!

২:০৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, মে ১৪, ২০১৯ অপরাধ, রাজশাহী

রুদ্র রহমান :: বগুড়ায় পরকীয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষিপ্ত এক ভাগ্নে তার মামিকে কুপিয়ে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেছে। নিহত মামীর নাম- আলেয়া বেগম (৩৫)। এবং ভাগ্নের নাম- আপেল।

মঙ্গলবার সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ইউপির ভাটকোলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ নিহত দু’জনের লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরত হাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

মোকামতলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, আপেল পেশায় কাঠমিস্ত্রির কাজ করে। ছোট বেলা থেকে আপেল নানা তোজাম্মেল হোসেনের বাড়িতে বসবাস করে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে মামা সাইদুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী আলেয়ার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল ভাগ্নে আপেল। তিনমাস আগে সুযোগ বুঝে আপেল তার মামি আলেয়ার ঘরে প্রবেশ করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করে। ঘটনাটি মামি আলেয়া তার স্বামীকে জানালে এ নিয়ে গ্রামে সালিশ বৈঠক হয়। ওই সময়ে এ বিষয়ে আপেলকে সতর্ক করে দেয়া হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরও কিছুদিন ধরে আপেল তার মামি আলেয়াকে অনৈতিক কার্যকলাপের প্রস্তাব দিচ্ছিল।

মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সনাতন চন্দ্র জানান, আপেল আজ সকাল সাড়ে ৯টায় তার মামি আলেয়াকে ধারালো বাটাল দিয়ে ঘাড়ে, বুকে ও পেটে উপুর্যুপুরি আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করে। মামি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লে ঘাতক ভাগ্নে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে ওই গ্রামেরই ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি পরিত্যক্ত পাকা ঘরে ঢুকে আপেল নিজের পেটে বাটাল দিয়ে চিরে নাড়িভুঁড়ি বের দেয়। ফলে সেও মারা যায়।

পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। শুনেছি, তাদের মধ্যে চলমান পারিবারিক দ্বন্দ্বে আপেল মনে মনে তার মামীর ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। ক্ষিপ্ততার বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।