সংবাদ শিরোনাম
স্কুলছাত্রী প্রেমিকাকে বেড়াতে নিয়ে বন্ধুকে সাথে করে শিক্ষকের গণধর্ষণ! | আজ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২ ফ্লাইওভার ৪ আন্ডারপাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী | মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি রোধে নারী মেন্টর রাখার সিদ্ধান্ত | ‘নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে রাজনীতি করবে জাসদ’- ইনু | টাঙ্গাইলে পুলিশি অভিযানে এক ব্যক্তির মৃত্যু ! সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ | ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটাকে অনেক উচ্চতায় নিয়েছে’- কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক | ছাত্রলীগের নিজস্ব নিউজপোর্টালের যাত্রা শুরু | মোদি ও অমিত শাহকে অভিনন্দন জানালেন ড. কামাল | কার্ডিফে টাইগারদের জন্য খুদে ভক্তদের উন্মাদনা (ভিডিওসহ) | অনুশীলনের ফাঁকে মাহমুদউল্লাহর ইমামতিতে ‘জুমার নামাজ’ আদায় করলো টাইগাররা |
  • আজ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের ফেসবুক ও টুইটার অ্যাকাউন্ট বাতিল!

১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, মে ১৭, ২০১৯ আন্তর্জাতিক
mianmar

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, রোহিঙ্গা গণহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লয়াইংয়ের টুইটার অ্যাকাউন্টও বাতিল করা হয়েছে। বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে তার অ্যাকাউন্টটি বাতিল করে টুইটার কর্তৃপক্ষ। এর আগে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেয়া হয়।

গত সপ্তাহে বার্মিজ রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন ইউকের সভাপতি তুন কিনহ সিলিকন ভ্যালিতে টুইটারের নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
ওই সময় তিনি সেনাপ্রধানের টুইটার অ্যাকাউন্টের বন্ধের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। এরপরও টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়াকে বড় বিজয় বলে আখ্যা দিয়েছেন তুন কিনহ।

রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ, নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে সেনাপ্রধান মিন অং হ্লয়াইংয়ের নাম এসেছে বিভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদনে। তার বিরুদ্ধে সামজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগও রয়েছে।

গত বছর জাতিসংঘ গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের জেনারেলদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানানোর পর সেনাপ্রধানের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।

ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন সময় দেয়া পোস্টে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করে তাদেরকে ‘বাঙালি’ বলে আখ্যা দিতেন সেনাপ্রধান।

উল্লেখ্য ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাদের হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।