• আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

তিন মিনিটে মোস্তাফা জব্বারের দুটি বিষাদময় স্ট্যাটাস

২:০১ অপরাহ্ণ | সোমবার, মে ২০, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- সাড়ে চার মাসের মাথায় এসে মন্ত্রিসভায় দপ্তর ছোটখাটো রদবদল। তবে এর আকস্মিকতাটা বিস্ময় জাগানিয়া। কারণ, কারো দপ্তর পাল্টাতে পারে বা দায়িত্ব পুনর্বণ্টন হতে পারে, এই বিষয়টি আলোচনাতেই ছিল না।

এর মধ্যে রবিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম স্বাক্ষরিত পরিপত্রে মন্ত্রিসভার তিন সদসস্যের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত জানা যায়। এতে দেখা গেছে, তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হারিয়েছেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি এখন থেকে কেবল ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী থাকছেন। আইসিটি মন্ত্রণালয় দেখবেন জুনাইদ আহমেদ পলক।

এদিকে নিজের দায়িত্ব কমার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার তার ভেরিফাইড ফেসবুকে দুটি বিষাদময় স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিন মিনিটের ব্যবধানে তিনি এই দুটি স্ট্যাটাস দেন।

রোববার রাত ১১টা ১৩ মিনিটে মোস্তাফা জব্বার ফেসবুকে লেখেন ‘মানবজীবন মানেই লড়াই। জন্ম থেকে কবরে যাওয়া অবধি লড়াই করতে হয়। তবে সব লড়াই এক রকমের হয় না। কখনও যুদ্ধ কঠিন মনে হয়- কখনও মনে হয় সহজ। মানুষ হিসেবে দুটোই মোকাবেলা করতে হয়। ছাত্রাবস্থায় আমার একটি প্রিয় স্লোগান পছন্দ করতাম- লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই। আসুন লড়াই করে বেঁচে থাকি।’

মন্ত্রীর স্ট্যাটাস দেওয়ার পর অনেকে বলছেন মন্ত্রীসভার রদবদলের ঘটনায় সম্ভবত এরকম বিষাদময় পোস্ট দিয়েছেন মন্ত্রী। মন্তব্যের ঘরে এস. এম . আল ফাহাদ লিখেছেন, ‘যাহোক স্যার ডাক বিভাগে তো আপনি আছেন। আশা করি, এখান থেকেই আপনি ভালো কিছু উপহার দেবেন। যদিও নিউজটা শুনে আমারও খারাপ লাগছে। কেননা ডা. স্বাস্থ্য আর তথ্য প্রযুক্তিবিদ তথ্য প্রযুক্তিতে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।’

জসিম উদ্দিন জয় নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো স্যার। আমরা লড়াই করেই বাচঁবো।’ মেহেদী হাসান পলাশ লিখেছেন, ‘দুঃখ পেয়েছি ভাই। তবু গাই সেই গান, হার-জিত চিরদিন থাকবে, তবুও এগিয়ে যেতে হবে।….’

এদিকে এই স্ট্যাটাস দেওয়ার তিন মিনিট পর অর্থাৎ ১১টা ১৬ মিনিটে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আরেকটি স্ট্যাটাসে লিখেন – ‘খেতে চাইলাম দুধ হয়ে গেল ছানা। সময়টাই বিবর্তনের।’

এই স্ট্যাটাসের কমেন্টে মো. নাজমুল হক নামের একজন লিখেছেন, ‘স্যারের কথা রহস্যময়, বুঝতে বড় মাথার প্রয়োজন।’ ফেরদৌস আনাম জীবন লিখেছেন, ‘স্যার, বিষয়টি কি আজকের ঘটে যাওয়া ঘটনার সঙ্গে ইঙ্গিস্বরূপ?’