সংবাদ শিরোনাম
বেনাপোলে নারীর ব্যাগ থেকে ৪০হাজার ৪শ ইউএস ডলার ও ১৩ লাখ ভারতীয় রুপি উদ্ধার | কয়েক দফা ধর্ষণে ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা , শিক্ষক গ্রেফতার | খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও মুক্তির বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে তুলবে বিএনপি | পরকীয়ার টানে পালিয়েছে স্ত্রী, ক্ষোভে শ্যালিকাকে পাঁচমাস ধরে ধর্ষণ! | ফরিদপুরে বন্যায় রাস্তাঘাটসহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যপক ক্ষতি | আবার ছুটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সাকিব | রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার মটরসাইকেল মুখোমুখী সংঘর্ষে নিহত-১, আহত ৬ | কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ডাক পেলেন মাশরাফি | সাতক্ষীরায় খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ | সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ঐতিহ্য ‘ভাইয়াফি’ কুস্তি খেলা |
  • আজ ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বালিশকান্ডে হাইকোর্টে ব্যারিস্টার সুমন, দাম শুনে হাসলেন বিচারপতিরা

২:৪৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, মে ২০, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য আবাসন পল্লীর বিছানা, বালিশ, আসবাব কেনা ও তা ভবনে তোলায় নজিরবিহীন দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে

গতকাল রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়্যেদুল হক সুমন জনস্বার্থে এ রিটটি করেন।

আজ সোমবার দুপুর দেড়টা থেকে সেই রিটের বিষয়ে হাইকোর্টে শুনানি চলছে। এদিন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমন বালিশ ও কেটলি ওঠানোর খরচের বিষয়টি যখন আদালতে তুলে ধরছিলেন তখন বিচারপতিরা হাসছিলেন।

রিটকারী আইনজীবী জানান, ১২৫টি ফ্ল্যাটের মালামাল কিনতে ও ওঠাতে ২৫ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে, যা প্রত্যেক ফ্ল্যাটের জন্য খরচ পড়ে ২২ লাখ ৭০ হাজার টাকার মতো। এ মামলার শুনানিতে ভিড় করেন উৎসুক আইনজীবীরা।

গ্রিনসিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতির তথ্য সম্প্রতি ফাঁস হয়। এতে দেখা যায়, একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি টাকায় আকাশ সমান দামে এসব আসবাবপত্র কেনার পর তা ভবনের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে তুলতে অস্বাভাবিক হারে অর্থ ব্যয়ের এ ঘটনা ঘটিয়েছেন গণপূর্ত অধিদফতরের পাবনা গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা।

কেজিখানেক ওজনের একটি বৈদ্যুতিক কেটলি নিচ থেকে ফ্ল্যাটে তুলতেই খরচ হয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকা। একই রকম খরচ দেখানো হয়েছে জামা-কাপড় ইস্ত্রি করার কাজে ব্যবহৃত প্রতিটি ইলেক্ট্রিক আয়রন ওপরে তুলতে; প্রায় আট হাজার টাকা করে কেনা প্রতিটি বৈদ্যুতিক চুলা ফ্ল্যাটে পৌঁছে দিতে খরচ দেখানো হয়েছে সাড়ে ছয় হাজার টাকার বেশি।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে এমন অসংঙ্গতিপূর্ণ খরচ দেখে তাজ্জব দেশবাসী। এমন বেহিসাবি কারবারে সোশ্যাল মিডিয়াতেও বইছে ঝড়।