সংবাদ শিরোনাম
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী | কলেজ ও মাদ্রাসার বইয়ের বিপুল পরিমাণ নকল কপি জব্দ! | বাংলাদেশি যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করলো এক ভারতীয় নারী | নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান | ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে রাবির শিরিন ও যবিপ্রবির উজ্জ্বল | সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না তিনি…… | স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা | কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, অবৈধ পাচার বিরোধী র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত | ঠাকুরগাঁওয়ে কলেজছাত্রী ধর্ষনের শিকার, আটক-১ | লক্ষ্মীপুরে ইয়াবা বিক্রয়ের অভিযোগে নারীসহ আটক-২ |
  • আজ ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে

১:০১ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, মে ২৩, ২০১৯ ফিচার
tiger

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বাঘের সংখ্যা বেড়েছে সুন্দরবনে। ‘স্টাটাস অব টাইগার ইন বাংলাদেশ সুন্দরবন-২০১৮’ জরিপ অনুযায়ী বর্তমানে বাঘ আছে ১১৪টি। ২০১৫ সালের জরিপে ১০৬টি বাঘের অস্তিত্বের কথা বলা হয়েছিল। বুধবার (২২ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন জরিপের ফল প্রকাশ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

বাঘ নিয়ে সর্বশেষ এই জরিপের ফলাফল আগামীকাল বুধবার রাজধানীর বন ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। বনবিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, সুন্দরবনে যে অঞ্চলগুলোতে বাঘের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি এমন ১,৬৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ‘ক্যামেরা ফাঁদ’ পদ্ধতিতে জরিপ চালানো হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরায় ১,২০৮ বর্গকিলোমিটার, খুলনায় ১৬৫ বর্গকিলোমিটার ও বাগেরহাটের শরণখোলায় ২৮৬ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে জরিপে অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছিল।

বাঘশুমারির এই পদ্ধতিতে ক্যামেরার সামনে দিয়ে বাঘ চলাচল করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার ছবি উঠে যায়। পরে এসব ছবি বিশ্লেষণ করে বাঘের সংখ্যা নিরূপণ করা হয়। সর্বশেষ এই জরিপে সুন্দরবনের ২৩৯টি জায়গায় গাছের সঙ্গে ৪৯১টি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। ২৪৯ দিন ধরে চালু রাখা ক্যামেরাগুলতে বাঘের ২,৫০০টি ছবি পাওয়া যায়। ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা ১১৪টি বাঘ থাকার কথা অনুমান করছেন।

বনবিভাগের কর্মকর্তা আরও বলেন, বাঘশুমারির প্রয়োজনে ওই এলাকাগুলো দিয়ে প্রবাহিত খাল ও নদীগুলোকেও জরিপের আওতায় রাখা হয়েছিল।
আর এই পুরো কাজে বাংলাদেশের বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহায়তা করেছেন ভারতীয় বাঘ বিশেষজ্ঞরা।

এর আগের ২০১৫ সালে বন বিভাগ জরিপ চালিয়ে বলেছিল, বাংলাদেশ অংশে বাঘের সংখ্যা ১০৬টি। একই সংস্থা ২০০৪ সালে বলেছিল, শাবকসহ বাঘের সংখ্যা ৪৪০টি। সেবার প্যাগমার্ক (বাঘের পায়ের ছাপ) পদ্ধতিতে গণনা করা হয়েছিল।

১৯৭৫ সালে বুবার্ট হেনড্রিকস সুন্দরবনে ৩৫০টি বাঘ থাকার তথ্য দিয়েছিলেন। এর পর ১৯৮২ সালে মার্গারেট স্যালটার নমুনা ও সরেজমিন জরিপ চালিয়ে ৪২৫টি বাঘ থকার সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। এর দুই বছর পর রেক্স জিটিন্স সুন্দরবন দক্ষিণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ১১০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় জরিপ চালিয়ে ৪৩০ থেকে ৪৫০টি বাঘ থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন।

সুন্দরবন নিয়ে গবেষণাকারীরা সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের সংখ্যা কমে যাওয়ার জন্য চোরা শিকারি ও বাঘের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে দায়ী করেছে। সেই সঙ্গে হরিণ শিকারের কারণে খাদ্য সংকটে বাঘের সংখ্যা বাড়ছে না।