কৃষকদের উপর গুলি চালানো বিএনপির কৃষি নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই : ড. হাছান মাহমুদ

১০:০১ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, মে ২৪, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কৃষকদের উপর গুলি চালানো বিএনপির কৃষি নিয়ে কথা বলার কোন অধিকার নেই।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল বাংলাদেশ। এখন খাদ্যে উদ্বৃত্ত অর্জন করেছে। তাদের সময়ে কৃষকরা সারের দাবিতে আন্দোলন করায় গুলি করে ১৮ জন কৃষককে হত্যা করা হয়। যারা কৃষকদের গুলি করে মারে, সার বীজ দিতে পারে না, তাদের কৃষি এবং কৃষকদের নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই।’

হাছান মাহমুদ আজ উপজেলা সদরের নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সামশুল আলম তালুকদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক স্বজন কুমার তালুকদার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মাদ আলী শাহ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠন করার পর ১৯৯৯ সালে খাদ্য ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তিতে বিএনপি আবারও ক্ষমতায় এসে তাদের লুটপাঠের কারণে দেশে আবারও খাদ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছিল।

বিএনপির অর্থমন্ত্রী তখন বলেছিলেন, বাংলাদেশের মানুষ তিনবেলা ভাত খাওয়ার কারণে দেশে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। তিনি সেসময় ভাতের পরিবর্তে সবাইকে আলু খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

আজ শুক্রবার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। উপজেলা সদরের নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সামশুল আলম তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক স্বজন কুমার তালুকদার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মাদ আলী শাহ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য কামরুল ইসলাম চৌধুরী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইদ্রিছ আজগর, সদস্য নজরুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ছাদেকুন নূর সিকদার প্রমুখ।

ধানের অতিরিক্ত ফলনের কারণে দাম কম হলে চাল আমদানীতে শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ২৬ টাকা কেজি দরে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছে। এর ফলে বাজারে ধানের দাম স্থিতিশীলতা আসতে শুরু করেছে।