জামালপুরে বাঁধ ভেঙে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক

৪:২৯ অপরাহ্ণ | শনিবার, মে ২৫, ২০১৯ দেশের খবর, ময়মনসিংহ

আবদুল লতিফ লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি- জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় যমুনার বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাঁধের পাঁচটি স্থান ধসে গেছে। বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে পার্থশী ইউপির মোরাদাবাদ ঘাট থেকে কুলকান্দি হার্ডপয়েন্ট পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটিও। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে পড়বে উপজেলার ছয়টি ইউপির ফসলি জমিসহ লক্ষাধিক মানুষ ।

যমুনা নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ফুটানী বাজার থেকে সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউপি পর্যন্ত তিনটি পয়েন্টে ৪৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ দশমিক ৫৫ কিলোমিটার যমুনার বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাঁধ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ২০১০ সালে শুরু হয়ে ২০১৭ সালে শেষ হয় এ প্রকল্পের কাজ।

স্থানীয় এমপি মো. ফরিদুল হক খান দুলালের প্রচেষ্টায় বাঁধটি নির্মাণ করায় যমুনার ভাঙন হ্রাস পায়। গত বছরের মতো এবারো বাঁধের পাঁচটি পয়েন্টে প্রায় ৫০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে ধসে গেছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে বামতীর সংরক্ষণ বাঁধ। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইসলামপুরের পাথর্শী ইউপির মোরাদাবাদ ঘাট থেকে কুলকান্দি হার্ট পয়েন্ট পর্যন্ত ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পার্থশী ইউপির মোরাদাবাদ ঘাট ও শশারিয়াবাড়ী এবং কুলকান্দি ইউপির কুলকান্দি এলাকায় যমুনার বামতীর সংরক্ষণ বাঁধের পাশ থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালি উঠানোয় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই যমুনার তীব্র স্রোত বাঁধে আঘাত হানছে। আর এতে বাঁধের বিভিন্ন স্থান ধসে যাচ্ছে। বাঁধ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নিলে নদী ভাঙন ও অকাল বন্যার হাত থেকে ইসলামপুরের ছয়টি ইউপির নিম্মাঞ্চলের মানুষ রক্ষা পাবে।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাজহারুল ইসলাম জানান, যমুনার তীব্র ঘুর্ণি স্রোত যমুনার বামতীর সংরক্ষণ বাঁধের বেশ কয়েকটি স্থানে ধস দেখা দিয়েছে। ধসে যাওয়া অংশে দ্রুত বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হবে।