• আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ওসি মোয়াজ্জেম বাইরে থাকলে নুসরাতের আত্মা কষ্ট পাবে: ব্যারিস্টার সুমন

৪:৫১ অপরাহ্ণ | সোমবার, মে ২৭, ২০১৯ জাতীয়

রবিউল ইসলাম (রবি), সময়ের কণ্ঠস্বর- সোনাগাজী মডেল থানার প্রাক্তন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ করেছেন মামলার বাদী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার ঘটনায় আইসিটি আইনে করা মামলায় সোমবার দুপুরে ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক।

পরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার সুমন সাংবাদিকদের বলেন, এটি ন্যায় বিচার, আমি বিশ্বাস করি এই মামলার মধ্যে দিয়ে দেশের সব থানার ওসির রুম যেন নিরাপদ ঘোষণা করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যত তাড়াতাড়ি পারেন ওসি মোয়াজ্জেমকে আইনের আওতায় নিয়ে আসেন, কারণ তিনি যতদিন বাইরে বাতাস খাবেন নুসরাতের আত্মা ততদিন কষ্ট পাবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান এই আইনজীবী। তিনি বলেন, মামলাটি তদারকি করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাই পিবিআইকে, যারা এত অল্পসময়ের মধ্যে সুন্দরভাবে এই তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।

পুলিশের একটি ভাবমূর্তি আছে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে পুলিশের একটি ভাবমূর্তি ছিল, দু’একজন অফিসারের জন্য সেই ভাবমূর্তি যেন কোনভাবেই ক্ষুণ্ণ না হয়।

তিনি বলেন, যেকোনো জায়গায় এই ধরণের নির্যাতন, নিপীড়ন যদি হয় আইনজীবী অথবা সাংবাদিক যে যেভাবে আছেন আমরা যদি দাঁড়িয়ে যেতে পারি, ভুক্তভোগীর পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারি, তবে বেশিদিন লাগবে না সোনার বাংলা গড়তে।

এসময় ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের তিনটি (২৬, ২৯ ও ৩১) ধারাতেই প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

“মামলার প্রতিটি ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর করে। তিনটিতে আলাদাভাবে সাজা হলে ওসির সর্বোচ্চ ১৫ বছরের সাজা হতে পারে” যোগ করেন এই আইনজীবী।