নিজের ও ১৩ বছর বয়সী সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে ডিসি অফিসের সামনে অনশনে পল্লবী

৬:১৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, মে ২৭, ২০১৯ আলোচিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি :: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নিজের এবং ১৩ বছর বয়সী সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনশন করছেন এক নারী।

অনশনকারীরা হলেন- ভান্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠী গ্রামের মৃত প্রমথ রঞ্জন হালদারের মেয়ে পল্লবী রাণী বৈরাগী এবং তার একমাত্র ছেলে মানিক বৈরাগী। সোমবার (২৭ মে) সকালে পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তারা অবস্থান নেন।

অনশনরত পল্লবী রানী বৈরাগী জানান, ২০০৪ সালের ২৪ নভেম্বর তার নিজ গ্রামের হিরা লাল বৈরাগীর ছেলে এডভোকেট মানস কুমার বৈরাগীর সাথে সামাজিকভাবে ধর্ম মেনে বিয়ে হয় পল্লবীর। বর্তমানে মানস কুমার বৈরাগী পিরোজপুর জজ আদালতের একজন আইনজীবী। বিয়ের তিন মাস পর তার পরিবারের কাছে যৌতুক দাবি করে না পেয়ে পল্লবীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় এডভোকেট মানস। পরের বছর একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় পল্লবী। কিন্তু এ সন্তান নিজের নয় দাবি করে মানস। এ নিয়ে আদালতে মামলাও হয়।

পরবর্তীতে ডিএনএ টেস্টেও প্রমাণিত হয় যে, মানসই ওই সন্তানের পিতা। এরপরও সে পল্লবী ও তার সন্তানকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে পল্লবী স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি, সন্তানের পরিচয় এবং ভরণ পোষণের দাবিতে অনশন ধর্মঘটে বসেন। পল্লবীকে সহযোগীতা করার জন্য এগিয়ে এসেছে স্থানীয় অনেক মহিলা।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত এডভোকেট মানস কুমার বৈরাগীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীরা বিব্রত বলে জানান জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি। মানসের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় এ নিয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।