• আজ ৩১শে ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিদ্বেষ ছড়ানো ‘অখ্যাত’ মাঞ্জেরেকাররা মানুষ হবে কবে?

১:২২ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, মে ৩০, ২০১৯ খেলা, স্পট লাইট

স্পোর্টস্ আপডেট ডেস্ক :: ইংল্যান্ড-২০১৯ বিশ্বকাপের ১২ তম আসরের উদ্বোধন হয়ে গেছে। আসর শুরুর আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ১ম ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে খেলেছে মাশরাফির দল। সে ম্যাচে ভারতের কাছে ৯৫ রানে হেরে যায় টিম বাংলাদেশ। ঐ ম্যাচে ধারাভাষ্যকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অখ্যাত ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় মাঞ্জেরেকার। ম্যাচে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের থেকে নিজ দেশে ভারতকে নিয়েই তুলনামূলক বেশি ব্যস্ত ছিলেন তিনি। এবং তার এই কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যে তাকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ফেলেছে।

ঐদিনের ম্যাচে বাংলাদেশকে হেয় করেছেন মাঞ্জেরেকার। যে কারণে ২৪ জন ধারাভাষ্যকারের তালিকায় থাকা ভারতের সাবেক এই ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের সমর্থকসহ বিশ্বের নানা দেশের ক্রিকেটপ্রেমিরা।

মঙ্গলবার (২৮ মে) কার্ডিফে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। এদিন ধারাভাষ্যে বাংলাদেশের চেয়ে বিরাট কোহলি, মহেন্দ্র সিং ধোনি, লোকেশ রাহুলদের নিয়ে বেশি গলা ফাটান মাঞ্জেরেকার। শুধু ম্যাচেই নয়, সেদিন টুইটারেও বাংলাদেশ দলকে তাচ্ছিল্য করে টুইট করেন মাঞ্জেরেকার।

নিজের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে মাঞ্জেরেকার লেখেন, ‘বিরাট কোহলি এখনও কেনো সময় নিচ্ছেন ইনিংস ঘোষণা করতে?’

মাঞ্জেরেকারের এমন টুইটের পর ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বাংলাদেশের সমর্থকরা। এ ঘটনায় মাঞ্জেরেকারকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা। কিছু ভারতীয় সমর্থকও মাঞ্জেরেকারের এমন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, ক্রিকেটে বিদ্বেষ ছড়ানো এই নোংরা মানসিকতার মাঞ্জেরকাররা মানুষ হবে কবে? তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ভারতীয় এই সাবেক ক্রিকেটারের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

কে এই সঞ্জয় মাঞ্জেরেকার?
১৯৬৫ সালের ১২ জুলাই জন্ম নেয়া এই সঞ্জয় মাঞ্জেরেকার ভারতীয় ক্রিকেট দলের অত্যন্ত নিম্নমানের ক্রিকেটার ছিলেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ভারতের জার্সি গায়ে জড়িয়ে খেলে টেষ্টে মাত্র ২ হাজার ৪৩ রান করলেও ওয়ানডে ফরম্যাটে দুই হাজেরর ঘরেই পৌছাতেই পারেননি বাইশ গজের এই নাদান ক্রিকেটার। এরপর দল তার পারফরম্যান্সে মুখ ফিরিয়ে নিলে বাধ্য হয়ে ধারাভাষ্যে নাম লেখান তিনি। প্রথমে সেখানেও ছিলেন নিম্নমানের। ২০১৪ সালের পর ভারতে ষ্পোর্টস্ টিভি চ্যানেলের সংখ্যা বাড়লে সঞ্জয় মাঞ্জেরেকারদের মত অখ্যাতদের চাকরি দেয় তারা। পরিপূর্ণ ক্রিকেটীয় আচরণ না শেখার কারণে ধারাভাষ্যে বিদ্বেষের বীব ছড়াচ্ছেন সঞ্জয় মাঞ্জেরেকার, আকাশ চোপড়ার মত অখ্যাতরা।