সংবাদ শিরোনাম
১১ মাস মাল্টার মর্গে পড়ে থাকা সেই ইমরানের লাশ আসবে শনিবার | চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী | কলেজ ও মাদ্রাসার বইয়ের বিপুল পরিমাণ নকল কপি জব্দ! | বাংলাদেশি যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করলো এক ভারতীয় নারী | নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান | ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে রাবির শিরিন ও যবিপ্রবির উজ্জ্বল | সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না তিনি…… | স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা | কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, অবৈধ পাচার বিরোধী র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত | ঠাকুরগাঁওয়ে কলেজছাত্রী ধর্ষনের শিকার, আটক-১ |
  • আজ ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ছুটির দিনে জম্পেশ বেচাকেনায় মুখরিত যশোরের ঈদ বাজার

৮:৫৬ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, মে ৩১, ২০১৯ ফিচার
jossor

যশোর প্রতিনিধি: তীব্র গরমের কারণে যশোরের ঈদ বাজারে ক্রেতা উপস্থিতি সেভাবে বাড়ছে না। ফলে বিক্রি বাট্টাও কম।ঈদ বাজারে বেচাবিক্রি যেমনটা হওয়া উচিত তেমনটা না। তবে শুক্রবার পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন রকম। ছুটির দিন থাকায় বেশ জমে ওঠে এখানকার ঈদ বাজার। চিরচেনা ভিড়ের পাশাপাশি হাকডাকে বাজার মুখরিত ছিল। মার্কেটপাড়ার শপিংমল ও বিপণিগুলোও বেচাকেনাও ছিল জম্পেশ। সকালের দিকে এই কেনাকাটা ও বেচাবিক্রি তুলনায় কম থাকলেও সন্ধ্যা গড়ানোর পর ছিল ধুন্ধুমার।

শুক্রবার ছুটির দিনের ঈদ বাজার পরিস্থিতি জানতে যশোর শহরের বেশ কয়েকটি মার্কেটপাড়া ঘুরে দেখা যায়, শপিংমল ও বিপণিগুলোয় ছোট খাট রকমের ভিড়।পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মানুষজনকে এখানে ঈদের নতুন পোশাক কিনতে দেখা যায়। শুধু পোশাকের দোকান নয় সকালের দিকে শহরের জুতো স্যান্ডেল, ছিট কাপড় ও চুড়ি কসমেটিকসের দোকানেও ভিড় লেগে যায়। ভিড় ছিল দার্জির দোকানেও। ফুটপাতের দোকানেও। সকালের দিকে ভিড়ের এই পরিমান তুলনায় কম হলে সন্ধ্যার পর ছিল অনেক বেশি। রাতের বেলায় ভিড় জমিয়ে তুমুল কেনাকাটা ও বেচাবিক্রির দৃশ্য দেখা যায়।

শহরের কালেক্টরেট, এইচএমএম রোড (বড় বাজার) সিটি প্লাজা, জেস টাওয়ার, মুজিব সড়ক ভিআইপি মার্কেট সবখানে ছিল ঈদ বাজারের ভিড়। এসব মার্কেটপাড়ার পোশাকের দোকান, জুতো স্যান্ডেলের দোকান, প্রসাধনীর দোকান সবখানে ছিল ঈদ বাজারের ভিড়। শহরের এইচএমএম রোডের গজ কাপড় বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ছিট সম্ভারের স্বতাধিকারী সাদাব তানভির বলেন, এবারের ঈদ বাজার বলতে গেলে এখনও জমেনি। তবে শুক্রবার হওয়ার কারনে ক্রেতার উপস্থিতি আজ অনেক বেশি। এবছর রোজা শুরুর পর ক্রেতার এত বেশি পরিমান উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। যেমনটা আজ হয়েছে। বেচাবিক্রিও বেশ হচ্ছে বলে আরও জানান তিনি।

শুক্রবার যশোরের শপিংমল ও বিপণিগুলোয় বড়দের পোশাকের দোকানের পাশাপাশি ছোটদের পোশাক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোয় বেশ ভিড় জমতে দেখা যায়। ছেলেমেয়েদের সাথে করে এনে অনেক বাবা মায়েরা এসব পোশা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের সন্তানদের জন্য ঈদের পোশাক কেনেন। শহরের সিটি প্লাজার বেবি জিনস বাজারের স্বতাধিকারী শাহারুল আলম জনি জানান, ঈদত মুলত শিশুদেরই। এজন্য সব বাবা-মা পরিবারের শিশুদের জন্য ঈদের পোশাকটি সবার আগে কিনতে চান। তাই রোজা শুরুর পর থেকেই শিশুদের পোশাক বিক্রি মোটামুটি ভালই হচ্ছে। তবে আজ ছুটির দিন হওয়ায় ক্রেতা আনাগোনা অনেকটাই বেশি।