ভারতের আবদারে সাড়া দেয়ায় সমালোচনার মুখে আইসিসি

৮:০১ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুন ৩, ২০১৯ খেলা
varot

স্পোর্টস আপডেট ডেস্কঃ শুরু হয়ে গিয়েছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট এর ১২ তম আসর। ইতিমধ্যে মাঠে গড়িয়ে ৫টি ম্যাচ। তবে গত ৩০ মে শুরু হয়ে বিশ্বকাপের ৫ দিন হয়ে গেলেও ব্যাটে-বলে নামতে হয়নি বিরাট কোহলিদের। ভারত বাদে প্রতিটি দলই খেলে ফেলেছে নিজেদের প্রথম ম্যাচ।

আগামী ৫ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামবে ভারত। এতো দেরিতে কেন ভারতের ম্যাচ ফেলা হলো সে বিষয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। তবে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি তোলা হচ্ছে সেটা হলো ভারতকে কি আলাদা কোন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে আইসিসি?

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সূত্র মতে, জুনের ২ তারিখে ভারতের প্রথম ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ গতকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা না খেলে ভারতের সঙ্গে খেলতে হতো।

কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) তাদের প্রথম ম্যাচ আসর শুরু হওয়ার ছয় দিন পর দেয়ার আবেদন করে আইসিসির কাছে। আর সেই আবেদন মঞ্জুরও করে আইসিসি। যে কারণে আগামী ৫ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার পরবর্তী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত।

জানা গেছে, সদ্য আইপিএল থেকে ফিরে ক্লান্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা। তাই খেলোয়াড়দের বিশ্রামের জন্য আইসিসির কাছে ২ তারিখের ম্যাচ ৫ তারিখে নেয়ার আবেদন জানায় বিসিসিআই। কেননা আইপিএল শেষ হওয়ার ১৮ দিনের মধ্যে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ায় খেলোয়াড়রা পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারবে না।

বিসিসিআই এর এমন আবেদন মঞ্জুর করায় আইসিসির ওপর প্রশ্ন উঠতেই পারে। এর কারণ হিসাবে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ভারত যখন নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা তখন নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে।

এছাড়াও সেই ম্যাচের আগে কয়েকটি দল তাদের দ্বিতীয় ম্যাচের কোটা পূরণ করবে। ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসরের এমন ফিকশ্চারে বিস্মিত ক্রিকেটবোদ্ধারা। তাছাড়া কোনো বিশেষ দলের এমন আবদার কি করে রাখল আইসিসি সে বিষয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তারা। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াও চলছে সমালোচনার ঝড়।

এর আগে বিসিসিআই সূত্রে জানানো হয়েছিল, আইপিএলের সঙ্গে আর্ন্তজাতিক ম্যাচের নূন্যতম ১৫ দিনের ফারাক থাকতে হবে। আইপিএল শেষ হয় ১৯ মে। তাই ৩০ মে শুরু হওয়া বিশ্বকাপে ২ জুন প্রথম ম্যাচ খেলতে পারবে না কোহলিরা। ১৫ দিনের বিরতি দিতে হলে ভারতীয় দল ৪ জুনের আগে বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে না।

সে কারণে ২ জুন ভারত প্রথম ম্যাচ খেলতে পারছে না বলে ৪ জুন কে প্রস্তাব করা হয় বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে। সিইসি সেই প্রস্তাব নিয়ে আইসিসিকে জানিয়ে দেয়।

সে প্রস্তাবে রাজি হয়ে ফিকশ্চারে পরিবর্তন এসে ৫ জুনে ভারতের খেলা রাখে আইসিসি।