এখনও নিশ্চিত হয় নি টাইগারদের ঈদের নামাজ আদায়ের স্থান!

৬:০৫ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুন ৪, ২০১৯ খেলা
taiger

স্পোর্টস আপডেট ডেস্কঃ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পরই সামনে চলে এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা নিশ্চিত ঈদের সালাত আদায় করবেন। স্থানীয়দের ধারণা, মঙ্গলবার লন্ডনে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে। কারণ, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন এবং ঈদের নামাজ আদায় করে।

সে হিসেবে মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা ঈদের নামাজ আদায় করবেন; কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে, মাশরাফি-
সাকিব-মুশফিকরা কোথায় ঈদের নামাজ পড়বেন, সেটা এখনও নিশ্চিত নয়।

টাইগার ক্রিকেটারদের ঈদের নামাজ আদায়ের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যাপারে এখনও কোনো গ্রিন সিগনাল দেয়নি আইসিসি। যদিও জানা গেছে, বাংলাদেশ দলের হাই কমিশন বিষয়টা দেখভাল করছে এবং বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররাও ঈদের নামাজ আদায় করার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আল নূর জামে মসজিদে নারকীয় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর পার হয়েছে মাত্র দুই মাস। এই ঘটনার রেশ যাতে বিশ্বকাপে না পড়ে সে জন্য সতর্ক আইসিসি এবং আয়োজক ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। অংশগ্রহণকারী ১০ দলের ক্রিকেটার এবং কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

সে কারণেই তারা কোনোভাবেই জানাচ্ছে না যে, কোথায়, কোন মসজিতে ঈদের নামাজ পড়বে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। এমনকি দলের ম্যানেজার
খালেদ মাহমুদ সুজন আজ স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা পর্যন্তও বলতে পারেননি কোথায় নামাজ পড়বে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা।

তবে খালেদ মাহমুদ সুজন নিশ্চিত করছেন, অবশ্যই আমরা নামাজ পড়বো। তবে স্থানীয় প্রশাসন এবং আইসিসি সিকিউরিটি ইউনিটের গ্রিন সিগনাল নিয়েই।

যদিও আইসিসির কাছ থেকে কোথায় কোন মসজিদে নামাজ পড়তে পারবেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা, সে সবুজ সংকেত মেলেনি। কারণ আইসিসির সিকিউরিটি প্রটোকলে রয়েছে, বিমানবন্দর থেকে টিম হোটেল, টিম হোটেল থেকে প্র্যাকটিস ভেন্যু, ভেন্যুর যাতায়াত পথ এবং মাঠ থেকে মাঠে যাতায়াত- এই জায়গাগুলোতেই নিরাপত্তা দেবে তারা। এর বাইরে কোথাও যেতে হলে অবশ্যই স্থানীয় প্রশাসন এবং আইসিসির গ্রিন সিগনাল লাগবে।

ইস্ট লন্ডনে সবচেয়ে বড় মসজিদ ‘ইস্ট লন্ডন মসজিদ’-এ অনুষ্ঠিত হবে ৫টি ঈদের জামাত। সকাল ৭টা থেকে শুরু করে প্রতি এক ঘণ্টা পরপর ১১টা পর্যন্ত এই ঈদের জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই কোনো জামাতে অংশ নিতে পারেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা।