সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের কাছে হারার পর সমর্থকদের সঙ্গে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি রশিদ-নবীদের! (ভিডিও) | পটুয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ছাত্রলীগ নেতার লাশ উদ্ধার | লাগেজ নিচ্ছেন স্ত্রী, ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটছেন মাহমুদউল্লাহ! | পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১০ | স্কুলছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা, পুলিশের এএসআই ক্লোজড | গভীর রাতে ঢাবির টিএসসির কক্ষ থেকে ছাত্র-ছাত্রী আটক | কীভাবে বুঝবেন সংসার টিকছে না? | যে শহরে মসজিদ নিষিদ্ধ, মসজিদ নির্মাণ করতে চাইলেই দিতে হবে প্রাণ! | আবেদন করলে সংসদ সদস্যরা ফ্ল্যাট পাবেন: পূর্তমন্ত্রী | রূপগঞ্জে সকালে হাঁটতে গিয়ে নারী ইউপি সদস্য খুন |
  • আজ ১২ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

তার আরও একটি ঈদ…

১:২৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুন ৪, ২০১৯ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর :: এবারও কারা হেফাজতে কাটবে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাজা হওয়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঈদ। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন তিনি। এ জন্য সেখানেই পঞ্চমবারের মতো কারাবন্দি অবস্থায় ঈদ করবেন তিনি।

ঈদের আগেই তাকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল বিএনপি, ২০দলীয় জোট, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ নাগরিক সমাজ। কিন্তু মুক্তি পাননি তিনি। ফলে তার ঈদ কাটবে চারদেয়ালে বন্দী অবস্থায়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার ঈদের দিন দলের সিনিয়র নেতারা প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বিএসএমএমইউ যাবেন। সেখান থেকে বনানীতে খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করবেন।

এ ছাড়াও ঈদের দিন কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পারেন তার পরিবারের সদস্যরা। তারেক রহমানের পরিবার, কোকোর স্ত্রী ও মেয়েরা লন্ডনে থাকায় খালেদা জিয়ার ভাই, বোন ও তাদের ছেলে-মেয়েরা কারাগারে দেখা করতে যাবেন।

এর আগে ২০০৭ সালের ১৪ অক্টোবর প্রথম রোজার ঈদ জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত সাবজেলে কাটান বিএনপি চেয়ারপার্সন। এরপর ২০০৭ সালের ২১ ডিসেম্বর কোরবানির ঈদও ওই সাবজেলেই উদযাপন করেন তিনি। ওই কারাগারে ৩৭২ দিন কাটানোর পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে মুক্তি পান।

১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর কয়েকবার গ্রেপ্তার হন খালেদা জিয়া। এ ছাড়াও এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে, ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর গ্রেপ্তার হন তিনি। তবে তখন তাঁকে বেশিদিন কারাবন্দি থাকতে হয়নি।

কিন্তু গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দি হয়ে সাজা ভোগ করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সাজার রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন। ইতিমধ্যে সে মামলায় জামিন পেয়েছেন।

তবে তিনি এক মামলায় জামিন পেলে অন্য মামলায় শ্যোন এ্যারেস্ট দেখিয়ে মুক্তি আটকে দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি তিন ডজনের অধিক মামলার আসামী।