সংবাদ শিরোনাম
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী | কলেজ ও মাদ্রাসার বইয়ের বিপুল পরিমাণ নকল কপি জব্দ! | বাংলাদেশি যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করলো এক ভারতীয় নারী | নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান | ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে রাবির শিরিন ও যবিপ্রবির উজ্জ্বল | সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না তিনি…… | স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা | কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, অবৈধ পাচার বিরোধী র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত | ঠাকুরগাঁওয়ে কলেজছাত্রী ধর্ষনের শিকার, আটক-১ | লক্ষ্মীপুরে ইয়াবা বিক্রয়ের অভিযোগে নারীসহ আটক-২ |
  • আজ ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বাবা-চাচাদের ফাঁসির দাবিতে রাস্তায় দুই শিশু

১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, জুন ১০, ২০১৯ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, পাবনা- মা মাহমুদা আক্তার মীমের হত্যাকারী ঘাতক বাবা ও চার চাচার ফাঁসির দাবিতে রাস্তায় দুই অবুঝ শিশু।

রোববার দুপুরে পাবনা প্রেস ক্লাবের সামনে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে সবার সঙ্গে মানববন্ধনে অংশ নেয় মীমের দুই সন্তান, ছেলে আল মাহিম (৮) ও মেয়ে মুন্তাহা (৩)।

মানববন্ধনে এলাকাবাসী, মানবাধিকার কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। ঘটনার ১৮ দিন পরও কোনো আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আতাইকুলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খন্দকার মোহাম্মদ আতিয়ার হোসেন, পাবনা প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি কামাল আহমেদ সিদ্দিকী, মহিলা পরিষদ, পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুন্নাহার জলি, সেলিম নাজির স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাসিনা আক্তার রোজি, লতিফ গ্রুপের পরিচালক মাহবুব আলী খান বাবলু, আব্দুল বাতেন খান, নিহত মীমের ছেলে মাহিম প্রমুখ।

মানব্বন্ধন শেষে নিহত গৃহবধুর বাবা আব্দুল মোমিন, যৌন হয়রানী নির্মূল করণ নেটওয়ার্কের আহবায়ক হাসিনা আক্তার রোজি, মেজনিনের সেক্টর স্পেশালিষ্ট হাসিনা আখতার ও তার স্বজনরা পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম বিপিএম পিপিএম এর নিকট আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের দড়িসারদিয়ার গ্রামের আব্দুল মমিনের মেয়ে মাহমুদা আক্তার মীমের প্রায় ১০ বছর আগে বিয়ে হয় একই উপজেলার রাজাইমণ্ডল গ্রামের সগির প্রামাণিকের ছেলে গ্রাম্য চিকিৎসক পিন্টু মিয়ার সঙ্গে। বিয়ের সময় দেড় লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হলেও পিন্টু মিয়া প্রায়ই যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করত। গত ২১ মে রাত ২টার দিকে পিন্টু, তার চার ভাই ও এক ভাগিনা মিলে মীমকে বেদম মারধর করে রক্তাক্ত করে।

একপর্যায়ে তারা গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে মীমকে হত্যার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে মীমের বাড়ির লোকজন অচেতন অবস্থায় প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে রাজশাহীর পপুলার হাসপাতাল, সর্বশেষ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করেন তাকে। ১৭ দিন অসহ্য যন্ত্রণা ভোগের পর গত শুক্রবার সকালে মারা যান মীম।

এ ঘটনায় মীমের ভাই মেহেদী হাসান বাদী হয়ে পিন্টু মিয়াকে প্রধান এবং তার চার ভাই রেজাউল করিম, দোলোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমান, মিলন হোসেন এবং ভাগিনা শাকিল হোসেনকে আসামি করে আতাইকুলা থানায় মামলা করেন। তবে পুলিশ এখনও কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

ঘাতক পিন্টু মিয়া ওই গ্রামের সগির প্রামনিকের ছেলে এবং নিহত গৃহবধু আতাইকুলা ইউনিয়নের দড়িসারদিয়ার গ্রামের আব্দুল মমিনের মেয়ে।

এ ব্যাপারে পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেছে। আসামিরা কোনোমতেই পালিয়ে বাঁচতে পারবে না।