জীবনের একটা সময় মেঝেতে শুয়েই কাটাতে হয়েছে গুগলের সিইওকে!

১:০৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুন ১০, ২০১৯ জানা-অজানা

জানা-অজানা ডেস্ক- সময় বদলেছে! কিন্তু, কতটা? সেই উত্তরই দিলেই গুগল সিইও সুন্দর পিচাই। কিছুদিন যাবদ যৌন হেনস্থার জেরে বার বার সংবাদ মাধ্যমে নাম উঠে এসেছে গুগলের। এখনও পর্যন্ত সেই রেশ কাটেনি। সেই সূত্র ধরেই বদলে ফেলা হচ্ছে সংস্থার পুরনো নিয়মকানুনগুলিকে।

অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে মহিলা কর্মীরা নাকি উপযুক্ত সন্মান পান না। এমনই একাধিক অভিযোগ নিয়ে আসা হয় গুগলের বিরুদ্ধে। আর, সেই প্রসঙ্গেই সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন গুগল সিইও।

শুধুমাত্র কথাই নয়। নিজের জীবনের বেশ কিছু অজানা ছবি সামনে আনেন। পিচাই জানান, ‘আগে জীবন অনেক বেশি সহজ ছিল। যেটা আজকের তুলনায় অনেকটাই ভাল। আমরা একটা ছোট ঘরে থাকতাম। যেটাকে অনেকের সঙ্গে শেয়ার করতে হত। লিভিং রুমের মেঝেতে ঘুমোতাম। টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়েই বড় হয়েছি। এখনও পর্যন্ত আমি একটা জলের বোতল পাশে নিয়ে ঘুমোই। অন্যান্য বাড়িগুলিতে ফ্রিজ ছিল। অনেক পরে আমাদের বাড়িতে ফ্রিজ আসে। যেটা একটি বড় বিষয় ছিল।’

গুগল সিইওর ছোটবেলাটা কেটেছে একটু অন্যভাবে। হাতে সময় থাকত যথেষ্ট। তাই সামনে যা আসত তাই পড়তেন তিনি। আর, এভাবেই খুব ছোট বয়সে ডিকেন্স শেষ করেন। পড়াশুনা আইআইটি খরগপুরে। বাকি পড়াশুনা বিদেশে। সেখানেই তিনি মেটারিয়াল সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর পড়াশুনা করেন। শুধু তাই নয়, এমবিএ ডিগ্রীও অর্জন করেন।

এরপর, কর্মজীবন শুরু হয় গুগলের হাতে ধরে ২০০৪ সালে। গুগল ক্রোম নির্মাতাদের দলের একটি অংশও ছিলেন বর্তমানে গুগল সিইও। আর এভাবেই কেটে যায় সময়। দশ বছর পর আমুল পরিবর্তন আসে তাঁর কেরিয়ারে। তবে, যাত্রাপথ খুব একটা সহজ ছিল না। ২০১৫ সালে গুগলের সিইও হন পিচাই। কিন্তু, সময়ের সঙ্গে গভীর হয় কথোপকথোনের প্রসঙ্গ। উঠে আসে কর্মীদের যৌন হেনস্থার বিষয়টিও। যার জেরে সারা বিশ্বের মোট ২০,০০০ কর্মী মিলিতভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

সেই প্রসঙ্গেই সিইও বলেন, ‘সংস্থাকে আরও উন্নত করা সম্ভব, এই দাবিটিকে প্রতিষ্ঠিত করতেই কর্মীরা ওয়াক-আউট করেছেন। সেজন্য আমরা তাঁদের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। ঠিক কোথায় ভুল হয়েছে সেটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’

Loading...