একাদশে ভর্তি: প্রথম দফায় কলেজ পায়নি ৯৭ হাজার শিক্ষার্থী

৫:৫১ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুন ১০, ২০১৯ শিক্ষাঙ্গন

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- একাদশে শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম দফায় আবেদন করা শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে সারা দেশে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন পছন্দের কলেজ পেলেও ৯৭ হাজার ৮১০ জন ভর্তিচ্ছু তাদের পছন্দের কলেজ পাননি।

গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে সকল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল দেখতে পাচ্ছেন।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সারাদেশে মোট ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন আবেদন করেন। তার মধ্যে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।

প্রায় ৯৭ হাজার পছন্দের কলেজ বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী রয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ জন। এদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ১ হাজার ৮৪৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দমতো কলেজে ভর্তি হতে পারছেন না। পরের অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। মোট ১৪ হাজার ৫৩০ জন বঞ্চিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী রয়েছে ১ হাজার ২৪৩ জন। তার পরের অবস্থানে কুমিল্লা বোর্ডে ৮ হাজার ৬৯৩, এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ৫২৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কোনো কলেজে মনোনীত হননি। একইভাবে সকল শিক্ষা বোর্ডেই ভর্তি বঞ্চিতের সংখ্যা রয়েছে।

ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন-আর-রশিদ জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে ভর্তির জন্য ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। এদের ১৮ জুনের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন (যে কলেজের তালিকায় নাম এসেছে ওই কলেজেই যে শিক্ষার্থী ভর্তি হবেন তা এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা) করতে হবে। প্রথম পর্যায়ে মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২৭ থেকে ৩০ জুনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হবে।

অধ্যাপক হারুন জানান, অনেকে এসএমএসের মাধ্যমে শুধু একটি কলেজে আবেদন করেছিল। কেউ কেউ ভালো ভালো কলেজে আবেদন করায় প্রথম পর্যায়ে তারা কলেজ পায়নি।

প্রথম দফায় যারা কলেজ পায়নি, তারা দ্বিতীয় দফায় আবেদনের সুযোগ পাবেন জানিয়ে হারুন বলেন, মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীই ভর্তির জন্য কলেজ পাবে, সব শিক্ষার্থীই কলেজে ভর্তি হতে পারবে।

আগামী ১৯ থেকে ২০ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৪ জুন তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে ২১ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৫ জুন তৃতীয় পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হবে।

এবারও সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পেরেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে।