মধুচক্রের পর্দা ফাঁস! দেহব্যবসায় জড়িত ৪ ছাত্রী-মডেল গ্রেফতার

১১:১০ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুন ১০, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: ফের একবার মডেল ও ছাত্রীদের নিয়ে গড়ে ওঠা দেহব্যবসার চাকে আঘাত হানল ভারতের পুলিশ। পুণেতে এমনই একটি দেহব্যবসার পর্দাফাঁস করে পাঁচ ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। তাদের বৃহস্পতিবার স্থানীয় আদালতে তোলা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে চার মহিলাকে।

জানা গেছে, পুণের মারুঞ্জিতে এই অভিযান চালিয়েছিল হিনজেওয়াড়ি পুলিশ। কোলটে পাতিল এস্টেট এলাকায় এই দেহব্যবসার খবর পুলিশ পায়। এরপরেই তারা অভিযান চালিয়ে এই কাণ্ডের মূল হোতা ৩৪ বছরের বলিরাম সাভারগাঁওকরকে গ্রেফতার করে। সে কোঠরুড়েরই বাসিন্দা।

অন্যান্যরা হল নিতিন ভালেরাও, অভয় শিন্ডে, ময়ূর শর্মা, দিলিপ মন্ডল। উদ্ধার হওয়া মহিলাদের মধ্যে অনেকে যেমন মডেল রয়েছেন আবার অনেকে ছাত্রীও। তারা সকলেই দিল্লির বাসিন্দা। তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে জোর করে দেহব্যবসার কাজে নামানো হয়েছিল বলে জানা যায়।

এর আগে, গত ১ জুন পুণতে মধুচক্রে জড়িত থাকায় ৫ মহিলাকে গ্রেফতার করে কোরেগাঁও পুলিশ। জানা গেছে, কোরেগাঁও পার্কে ওয়েসিস সালোঁ এবং স্পা ম্যাসাজ সেন্টারের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরেই এই কাজ চলছিল। সেখানেই হানা দেয় পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ৩ মহিলাকে হদসপুরে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এই দেহব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিশাল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে কোরেগাঁওয়ের বাসিন্দা। তার সহযোগীও ধরা পড়ে পুলিশের জালে। নাম- আদিত্য সুলেমান। সে ওই ম্যাসাজ সেন্টারেরই কর্মী। দুঃস্থ মহিলাদের আর্থিক অনটনের সুবিধাকে হাতিয়ার করে তাদেরকে টার্গেট করত আদিত্য। তাদের কাজ আর টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এই দেহব্যবসার কাজে যুক্ত করত।

কোরেগাঁও পার্কের হোটেলেও হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে ২ মহিলা উদ্ধার হয়। তাদের মধ্যে একজন গুজরাতের এবং অন্যজন পশ্চিমবঙ্গের। তাদের দুই ব্যক্তি পুণেতে নিয়ে এসেছিল। মোবাইলের মাধ্যমে এই যোগাযোগের কাজ চলত। হোটেলে গিয়ে ক্লায়েন্টদের সঙ্গে দেখা করত এই মহিলারা। অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির নাম মোহিক এবং সুরজ। উদ্ধার হওয়া ২ মহিলাকে হদসপুরের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এর পাশাপাশি পাটনাতেও হাতেনাতে তিন কলগার্ল সহ আপত্তিজনক অবস্থায় চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অগমকুয়া থানার কাছে গান্ধীনগর এলাকায় মধুচক্রটির সন্ধান পায়। সেই মতো গত কয়েকদিন ধরে নজরদারি চালানো হচ্ছিল।