সংবাদ শিরোনাম
মহিলাকে রাম দা দেভিয়ে ফেঁসে গেলেন যুবলীগ নেতা! | মেয়ের বাড়িতে মিলিত হতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ল যুবক! | ঘরের দরজা খুলে গৃহবধূর মুখ চিপে চারজন মিলে পালাক্রমে গনধর্ষণ! | ১০ বছরের শিশুকে সুপারি বাগানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালাল রিক্সা চালক! | গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে অশ্লীল নৃত্য ও মদের আসরের প্রতিবাদ করায় প্রবাসীকে পিটিয়ে হত্যা! | ভারতের কাছে পাকিস্তানের লজ্জার হার! | আমেরিকার ঘুম হারাম করতে অবাক করা খবর দিলেন এরদোগান! | জাদুর খেলা দেখাতে গিয়ে মাঝনদীতে ‘ভ্যানিস’ জাদুকর! | মুক্তিযুদ্ধে চেতনা ও দক্ষতা বিবেচনায় পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | রাজবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যান কালাম মৃধাকে কুপিয়ে যখম |
  • আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

১২০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে ‘বায়ু’, জারি করা হলো রেড অ্যালার্ট

৩:২৮ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুন ১১, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ঘূর্ণিঝড় ফণির রেশ কাটতে না কাটতে এবার হানা ‘বায়ু’। ভারতের গুজরাট উপকূলে প্রায় ১২০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে পারে সাইক্লোন বায়ু।

ভারতীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রবল শক্তি নিয়ে ক্রমশ উত্তরের দিকে এগোচ্ছে বায়ু। আশঙ্কা, ১৩ জুন গুজরাট উপকূলের পোরবন্দর এবং মাহুবায় ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়বে সাইক্লোন। দিউ এলাকাতেও এর প্রভাব পড়বে। জানা যাচ্ছে, বায়ু শক্তি বাড়িয়ে ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে।

মঙ্গলবার সন্ধা থেকেই আরব সাগর উপকূলবর্তী এলাকায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে। লক্ষদ্বীপ, কেরল, কর্নাটক এবং দক্ষিণ মহারাষ্ট্রের উপকূলে ঝড়ে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে।

জানা যাচ্ছে, বুধবার সকালেই গুজরাটের উপকূলে ঘণ্টায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে। সন্ধায় তা তীব্রতর হবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।

ইতিমধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগর, লক্ষদ্বীপ-সহ কেরল, কর্নাটক উপকূলে মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার উপর লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ জুন গুজরাট উপকূলেও মত্স্যজীবীদের জন্য একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে এপ্রিলের শেষে ভারতের ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গের বিস্তৃণ অঞ্চলে তাণ্ডব শেষে বাংলাদেশে খানিকটা দুর্বল হয়ে আঘাত হাতে সাইক্লোন ফণি। বিশেষ করে, ওড়িশা উপকূলবর্তী এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রায় ১৮০০ কোটি ডলার সম্পত্তি ক্ষতি হয়ে বলে জানা যায়।

তবে, ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে আসা ফণির হাত থেকে প্রায় অধিকাংশ মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছিল। আগে থেকেই ফণির গতিবিধি অনুমান করতে পারায় বড়সড় বিপর্যয় থেকে বাঁচতে সক্ষম হয় ওড়িশা।