সংবাদ শিরোনাম
এরশাদের অবদান জাতি সবসময় স্মরণ করবে: জিএম কাদের | নমুনা বিবেচনায় আক্রান্তের হার বেশি: ওবায়দুল কাদের | সাবরিনা একা চোর নয়, এরসঙ্গে সরকারের মন্ত্রীরাও জড়িত: জাপা মহাসচিব | সিরাজগঞ্জে করোনা সন্দেহে বৃদ্ধ পিতাকে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে | করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, জমির আইলে পেঁপে চাষ করে লাভবান শিক্ষার্থী মামুন | করোনায় মারা গেলেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা | সাভারে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে অটোরিকশা চালক নিহত | রংপুরের গংগাচড়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত, সড়ক ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন | ঠাকুরগাঁওয়ে আবারও টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু, মানা হচ্ছে না শারীরিক দূরত্ব | অনলাইন মিটিংয়ে খরচ ৫৭ লাখ, সচিবের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাইলেন মন্ত্রী |
  • আজ ৩০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১২০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে ‘বায়ু’, জারি করা হলো রেড অ্যালার্ট

৩:২৮ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুন ১১, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ঘূর্ণিঝড় ফণির রেশ কাটতে না কাটতে এবার হানা ‘বায়ু’। ভারতের গুজরাট উপকূলে প্রায় ১২০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে পারে সাইক্লোন বায়ু।

ভারতীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রবল শক্তি নিয়ে ক্রমশ উত্তরের দিকে এগোচ্ছে বায়ু। আশঙ্কা, ১৩ জুন গুজরাট উপকূলের পোরবন্দর এবং মাহুবায় ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়বে সাইক্লোন। দিউ এলাকাতেও এর প্রভাব পড়বে। জানা যাচ্ছে, বায়ু শক্তি বাড়িয়ে ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে।

মঙ্গলবার সন্ধা থেকেই আরব সাগর উপকূলবর্তী এলাকায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে। লক্ষদ্বীপ, কেরল, কর্নাটক এবং দক্ষিণ মহারাষ্ট্রের উপকূলে ঝড়ে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে।

জানা যাচ্ছে, বুধবার সকালেই গুজরাটের উপকূলে ঘণ্টায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে। সন্ধায় তা তীব্রতর হবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।

ইতিমধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগর, লক্ষদ্বীপ-সহ কেরল, কর্নাটক উপকূলে মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার উপর লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ জুন গুজরাট উপকূলেও মত্স্যজীবীদের জন্য একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে এপ্রিলের শেষে ভারতের ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গের বিস্তৃণ অঞ্চলে তাণ্ডব শেষে বাংলাদেশে খানিকটা দুর্বল হয়ে আঘাত হাতে সাইক্লোন ফণি। বিশেষ করে, ওড়িশা উপকূলবর্তী এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রায় ১৮০০ কোটি ডলার সম্পত্তি ক্ষতি হয়ে বলে জানা যায়।

তবে, ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে আসা ফণির হাত থেকে প্রায় অধিকাংশ মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছিল। আগে থেকেই ফণির গতিবিধি অনুমান করতে পারায় বড়সড় বিপর্যয় থেকে বাঁচতে সক্ষম হয় ওড়িশা।