সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের কাছে হারার পর সমর্থকদের সঙ্গে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি রশিদ-নবীদের! (ভিডিও) | পটুয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ছাত্রলীগ নেতার লাশ উদ্ধার | লাগেজ নিচ্ছেন স্ত্রী, ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটছেন মাহমুদউল্লাহ! | পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১০ | স্কুলছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা, পুলিশের এএসআই ক্লোজড | গভীর রাতে ঢাবির টিএসসির কক্ষ থেকে ছাত্র-ছাত্রী আটক | কীভাবে বুঝবেন সংসার টিকছে না? | যে শহরে মসজিদ নিষিদ্ধ, মসজিদ নির্মাণ করতে চাইলেই দিতে হবে প্রাণ! | আবেদন করলে সংসদ সদস্যরা ফ্ল্যাট পাবেন: পূর্তমন্ত্রী | রূপগঞ্জে সকালে হাঁটতে গিয়ে নারী ইউপি সদস্য খুন |
  • আজ ১২ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জেলার সোহেল রানার ব্যাংকে ১৫ কোটি টাকা

৪:২২ অপরাহ্ণ | বুধবার, জুন ১২, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- চট্টগ্রামের সেই জেলার সোহেল রানা বিশ্বাসসহ তার স্ত্রী, সন্তান ও শ্যালকের ২৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে দুদক। চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও যশোরের বিভিন্ন শাখার এসব ব্যাংক হিসাবে জমা আছে ১৫ কোটি টাকা। এমনটাই জানিয়েছেন ময়মনসিংহের দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা।

বর্তমানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ময়মনসিংহ দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধরকে।

এর আগে এই মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং পরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল উপ-পরিচালক ফারুক আহমেদকে। মামলাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্তের জন্য নানা কারণে বার বার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

জব্দ করা ২৬টি ব্যাংক হিসাবে ১৫ কোটি টাকা লেনদেনের সন্ধান পেয়েছে দুদক। তবে সঠিক হিসাব পেতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে দুদকের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১২টি ব্যাংকের হিসাববিবরণী তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে পৌঁছেছে বলে জানান মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা।

জেলার সোহেল রানা, তার স্ত্রী-সন্তান ও শ্যালকের নামের ব্যাংক হিসাব জানতে দুদকের কর্মকর্তা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিলে ২৬টি ব্যাংক হিসাবের তালিকা পাঠায়। তারপর কিশোরগঞ্জ আদালতের অনুমতিক্রমে ওই হিসাবগুলোর লেনদেন জব্দ করে দুদক।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ অক্টোবর ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেসের একটি বগি থেকে সোহেল রানাকে একটি ব্যাগসহ আটক করে রেল পুলিশ।

পরে ওই ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, আড়াই কোটি টাকার তিনটি এফডিআরের কাগজ, এক কোটি ৩০ লাখ টাকার তিনটি ব্যাংক চেক, পাঁচটি চেক বই ও ১২ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল পুলিশকে বলেছিলেন, ওই টাকার মধ্যে পাঁচ লাখ তার নিজের; বাকি টাকা অন্যদের।

পরে সোহেলের বিরুদ্ধে ভৈরব রেলওয়ে থানায় অর্থপাচার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন রেল পুলিশের উপপরিদর্শক আশরাফ। আর কারা কর্তৃপক্ষ এই জেলারকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

এর মধ্যে অর্থপাচার আইনের মামলায় গত ৫ জানুয়ারি হাই কোর্টে জামিনের আবেদন করেছিলেন রানা। আদালত সেদিন তাকে জামিন না দিয়ে জামিন প্রশ্নে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছিল। ২৯ এপ্রিল তা খারিজ হয়ে যায়। ফলে কারাগারেই রয়েছেন অর্থপাচার ও মাদক আইনের আসামি সোহেল রানার।

সোহেল রানা বিশ্বাসের বাসা ময়মনসিংহ শহরে। তিনি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার পেড়াগন্ধালিয়া গ্রামের জিন্নত আলী বিশ্বাসের ছেলে। বর্তমানে তাকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে রাখা হয়েছে।

কর্তব্যে অবহেলা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে ২০১০ সালেও একবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে বিভাগীয় আপিল করে তিনি চাকরি ফিরে পান।