সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের কাছে হারার পর সমর্থকদের সঙ্গে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি রশিদ-নবীদের! (ভিডিও) | পটুয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ছাত্রলীগ নেতার লাশ উদ্ধার | লাগেজ নিচ্ছেন স্ত্রী, ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটছেন মাহমুদউল্লাহ! | পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১০ | স্কুলছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা, পুলিশের এএসআই ক্লোজড | গভীর রাতে ঢাবির টিএসসির কক্ষ থেকে ছাত্র-ছাত্রী আটক | কীভাবে বুঝবেন সংসার টিকছে না? | যে শহরে মসজিদ নিষিদ্ধ, মসজিদ নির্মাণ করতে চাইলেই দিতে হবে প্রাণ! | আবেদন করলে সংসদ সদস্যরা ফ্ল্যাট পাবেন: পূর্তমন্ত্রী | রূপগঞ্জে সকালে হাঁটতে গিয়ে নারী ইউপি সদস্য খুন |
  • আজ ১২ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জামালপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে জনবল সংকট, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

৫:২৯ অপরাহ্ণ | বুধবার, জুন ১২, ২০১৯ দেশের খবর, ময়মনসিংহ

আবদুল লতিফ লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি- জেলার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অন্যতম চিকিৎসা কেন্দ্র হচ্ছে জামালপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। প্রতিদিন হাসপাতালে প্রবেশ করলেই দেখা যায় অসংখ্য রোগীর ভীড়। কারণ মাত্র ৫ টাকার টিকিটে এখানে পাওয়া যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা। সেই সাথে রয়েছে বিনা মূল্যের ওষুধ সহ স্বল্প মূল্যে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার সুবিধা।

কিন্তু একটি টিকিট কিনতেই রোগীদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সেই সাথে রয়েছে টিকিট কাউন্টারের সামনে ভ্যাপসা গরম। আবার টিকিট কিনেও ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না তাদের। ডাক্তারের চেম্বারের সামনেও দাঁড়াতে হচ্ছে লম্বা সিরিয়ালে।

হাসপাতালটিতে রয়েছে জনবল সংকট। যে কারণে রোগীদের পোহাতে হচ্ছে এমন দুর্ভোগ। রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলেও প্রচন্ড ভিড়ে আর ভ্যাপসা গরমে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারা। এত কষ্ট করে টিকিট নিলেও কখনো কখনো ডাক্তারের চেম্বারের সামনে লম্বা সিরিয়ালের কারণে চিকিৎসা নিতে পারছেন না অনেক রোগী। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে বাইরের ক্লিনিকগুলোতে বাড়তি টাকা দিয়ে নিচ্ছেন প্রাইভেট চিকিৎসকের চিকিৎসা।

হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ১৫শ থেকে ২ হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসে। কিন্তু সেই তুলনায় নেই পর্যাপ্ত জনবল। এত লোকের কাছে টিকিট বিক্রির জন্য কাউন্টারে রয়েছে মাত্র ২জন।

যে কারণে টিকিট বিক্রি করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। ফলে টিকিট কাউন্টারের সামনে বাধছে লম্বা সিরিয়াল। এতে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তি চরমে পৌছে গেছে।

প্রথম পর্যায়ে হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ছিল। পরে ১৯৯৫ সালে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে উন্নিত করা হয়। প্রতিদিন নির্ধারিত রোগীশয্যার তুলনায় তিনগুণের বেশি রোগী চিকিৎসাধীন থাকছে। অতিরিক্ত রোগী ও তাদের আত্মীয়স্বজনদের চাপে সেখানে তৈরি হয়েছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। অনেক রোগীকে ফ্লোরে ঘেষাঘেষি অবস্থায় থাকতে হয়।

প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে যেমন প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হাসপাতালে আসা রোগীরা তেমনি রোগীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা।