সংবাদ শিরোনাম
মহিলাকে রাম দা দেভিয়ে ফেঁসে গেলেন যুবলীগ নেতা! | মেয়ের বাড়িতে মিলিত হতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ল যুবক! | ঘরের দরজা খুলে গৃহবধূর মুখ চিপে চারজন মিলে পালাক্রমে গনধর্ষণ! | ১০ বছরের শিশুকে সুপারি বাগানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালাল রিক্সা চালক! | গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে অশ্লীল নৃত্য ও মদের আসরের প্রতিবাদ করায় প্রবাসীকে পিটিয়ে হত্যা! | ভারতের কাছে পাকিস্তানের লজ্জার হার! | আমেরিকার ঘুম হারাম করতে অবাক করা খবর দিলেন এরদোগান! | জাদুর খেলা দেখাতে গিয়ে মাঝনদীতে ‘ভ্যানিস’ জাদুকর! | মুক্তিযুদ্ধে চেতনা ও দক্ষতা বিবেচনায় পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | রাজবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যান কালাম মৃধাকে কুপিয়ে যখম |
  • আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অসুস্থ অর্থমন্ত্রী, বাজেট পড়লেন প্রধানমন্ত্রী

৫:০১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- শুরু হয়েছে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন। এটি দেশের ৪৮তম এবং বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের ৪৮ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। বরাবরের মতো বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম বাজেট। যদিও গত সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে অনেক বাজেট প্রণয়নে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন তিনি।

শুরুতে দাঁড়িয়ে বাজেট বক্তৃতা শুরু করলেও পরে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী নিজ আসনে বসে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। তবে এর মধ্যে তাকে একবার চোখের ওষুধ দেওয়া হয়। কিন্তু বিকেল ৪টার দিকে আরও অসুস্থ বোধ করছিলেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় তিনি স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে ৭ মিনিট বিরতি চান।

এ সময় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক ও বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক অর্থমন্ত্রীকে চিকিৎসা দেন। তাতেও পুরোপুরি সুস্থ বোধ না করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তাবিত বাজেটের বাকি অংশ নিজে সংসদে উপস্থাপনের জন্য স্পিকারের অনুমতি চান।

এর আগে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমি যতটুকু পড়তে পেরেছি বাকিটুকু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি। উনি পড়ে দেবেন।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাননীয় স্পিকার আমারও অপারেশন, আমার মন্ত্রীরও অপারেশন। তার উপরে ঠান্ডা লেগে কিছুটা গলা সমস্যা। তারপরও পড়ি।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী যখন অর্থমন্ত্রীর হয়ে বাজেট বক্তৃতাটি পাঠ করেন তখন বেশ কয়েকবার লিখিত বক্তৃতায় তাকে ধন্যবাদ দেওয়া অংশ পাঠ করতে হয়েছে।

শুরুতে এমন একটি পাঠ করে তিনি খানিকটা বিব্রতবোধ করে বলেন, ‘এটা অর্থমন্ত্রীর লিখিত বক্তৃতা পড়ছি। আমার বক্তৃতা হলে আমি নিজে নিজেকে ধন্যবাদ জানাতাম না।’

সংসদে তখন খানিকটা হাস্যরসের সৃষ্টি হলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা জানি আপনি অর্থমন্ত্রীর লিখিত বক্তৃতা পড়ছেন। বক্তৃতায় যা লেখা আছে তাই পড়বেন।’

বিকাল চারটা ৪০ মিনিটে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা পাঠ শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী।