বাউফলে সালিস বৈঠকে হামলা: চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ আহত ১০

৫:৩৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুন ১৭, ২০১৯ দেশের খবর, বরিশাল

কৃষ্ণ কর্মকার, বাউফল প্রতিনিধি- পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নে একটি সালিস বৈঠক চলাকালে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, চৌকিদার ও এক যুবলীগ নেতাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। ভাংচুর করা হয়েছে অফিসের আসবাবপত্রসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে ওই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের চুনারপুল গ্রামের হারুন হাওলাদার ও তার চাচাতো ভাই ফিরোজ হাওলাদারদের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সোমবার সকালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন হাওলাদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মিলন মাতব্বর ও প্রাক্তন ইউপি সদস্য মোকলেস মিয়া ওই সালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সালিস চলাকালে ওই ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য কুলসুম ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন ইউনুস খারাপ আচরন করেন জোমাদ্দার নামের এক বয়স্ক ব্যক্তির সাথে। এসময় চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার তাদের সংযত হওয়ার জন্য বললে, ফিরোজ হাওলাদার ও তার সাংগপাঙ্গরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে সালিস বৈঠকে হামলা করে।

হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি খসরুল আলম, চৌকিদার নুরুল আমিন, দেলোয়ার হোসেন, রাসেল ও ইমরানসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হয়। এসময় আওয়ামী লীগ অফিসের আসবাবপত্র ও জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর করা হয়েছে।

যদিও হামলার বিষয়ে অস্বিকার করে মহিলা সদস্য কুলসুম ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন ইউনুস বলেন, আমরা হামলা করিনি। প্রতিপক্ষ এ হামলার সাথে জড়িত।

বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।