টাঙ্গাইলে ফিড মূল্য কমানো ও মুরগির ন্যায্য দামের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

৮:৪১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুন ২৫, ২০১৯ মফস্বল সংবাদ
Tangail Human Chain pic

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:  টাঙ্গাইলে ফিডের দাম কমানো ও মুরগির ন্যায্য মূল্যের দাবীতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন কর্মসূচি পালন করেছে পোল্ট্রি খামারিরা।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে পোল্ট্রি খামারিরা ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত দেয়া বক্তব্যে গোপালপুর উপজেলার আলী ফিড এর মালিক হায়দার আলী বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পোল্ট্রি ফিডে ব্যবহৃত কাচামালের মূল্যবৃদ্বির আশংকায় চিন্তিত হয়ে পরেছে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিরা কারন এর ফলে পোল্ট্রি ফিডের দাম আরেক দফা বাড়বে যা তাদেরকে পুজির সংকটে ফেলবে। তাই পোল্ট্রি খামারিদের সুরক্ষায় পোল্ট্রিখাতের উপর আরোপিত সকল কর ও শুল্ক বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তিনি আরো বলেন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের পর থেকেই সংবাদপত্র ও টিভিতে পোল্ট্রি খাদ্যের দাম কমবে বলে খবর প্রচারিত হয় এতে খামারিদের মাঝে নতুন করে আশা জাগে। কারণ বিগত কয়েক বছর থেকে তারা এ দাবিই জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু খামারিদের মাঝে হতাশা নেমে আসে যখন তারা দেখেন যে বাজেটে পোল্ট্রি ফিডের দাম বাড়িয়ে দিবে।

খামারি আরো বলেন অর্থ বিল ২০১৯ এর ৭১ নম্বর অনুচ্ছেদে ২০১২ সনের ৪৭ নং আইনের ধারা ৩১ এর সংশোধন করে সকল আমদানির উপর ৫ শতাংশ হারে আগাম কর এটি ধায্য করা হয়েছে। এবং সেই সাথে কাচামাল সংগ্রহের উপর উৎস আয়কর কর্তনের বিধান পুণঃসংযোজন করা হয়েছে। যার কারণে পোল্ট্রি ফিডের উৎপাদন খরচ ৮ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে দাবি করেছে হাঁস-মরগির খাবার প্রস্তুতকারকদের সংগঠন ফিড ইন্ডাষ্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (ফিআব)। গত ১৯ জুন ঢাকায় অনুষ্টিত ফিআব ও ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়।

এসময় মানববন্ধনে তারা বলেন কমদামে ফিড চাই, ডিম ও মরগির ন্যায্য দাম চাই, সহজ শর্তে ঋন চাই, ক্ষতিগ্রস্ত খাারিদের জন্য সহায়তা চাই, পোল্ট্রি বীমা চাই, পোল্ট্রি-বান্ধব বাজেট চাই,প্রভৃতি শ্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাইদুর রহমান, ঘাটাইল উপজেলার ঘারো বাজার এর মামনি পোল্ট্রি ফার্মের মালিক হারুন অর রশিদ, মো. হুমায়ন কবির নীরবসহ প্রিন্ট ইলেকট্রনি´ মিডিয়ার সংবাদিক বৃন্দ।