• আজ ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সেফুদাকে নিয়ে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের যে প্রশ্ন ভাইরাল!

১:১১ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুলাই ৯, ২০১৯ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক :: সোশ্যাল মিডিয়ার একটি জনপ্রিয় নাম সিফাত উল্লাহ ওরফে সেফুদা। দেশের যেকোনো সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে নানা অসংগতিপূর্ণ এবং অশ্লীল মন্তব্য করে রাতারাতি ‘তারকা’ বনে যান তিনি। ফলে তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি অনেকের দ্বারাই তীব্রভাবে সমালোচিত হোন।

ফেসবুক সেলিব্রেটি সেফুদা বর্তমানে অস্ট্রিয়া প্রবাসী। পুরো নাম সিফাত উল্লাহ মজুমদার। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি।

১৯৯০ সাল থেকে তিনি অস্ট্রিয়ার রাজধানীর ভিয়েনায় বসবাস করছেন। তার পরিবারের দেয়া তথ্যমতে তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত।

ভার্চুয়াল জগতে লাইভে এসে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সময় তার কিছু বিশেষ ডায়ালগ তরুণ প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়েদের কাছে জনপ্রিয় হয়। এসব ডায়ালগের মধ্যে উল্লেখযোহ্য- ‘মদ খা, মানুষ হ’, ‘কী? হিংসে হয়, আমার মতো হতে চাও’ ইত্যাদি।

সম্প্রতি দেশের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের দশম শ্রেণীর প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় ইসলাম শিক্ষা প্রশ্নপত্রে সেফুদাকে উল্লেখ করে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন করা হয়। যে প্রশ্নটি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সৃজনশীল প্রশ্নটির উদ্দীপক হিসেবে লেখা হয়, ‘অদ্ভুত এক ধরণের মানুষ, সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন কুরূচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশ্যে সে বলে- ‘মদ খাবি, মানুষ হবি, আমি আরো এক গ্লাস খাইলাম’। তার কথার প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বললেন, তার মধ্যে যদি ইমানের সর্ব প্রথম এবং সর্বপ্রধান বিষয়ের প্রভাব পরিলক্ষিত হত, তাহলে সে হয়ে উঠত একজন আত্মসচেতন এবং আত্নমর্যাদাবান ব্যক্তি’।

প্রশ্নপত্রটিতে উদ্দীপকের আলোকে জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ এবং উচ্চতর দক্ষতামূলক ৪টি প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নগুলো হলো- ‘আকাইদ কী?, ‘ইসলামের নাম ইসলাম রাখা হয়েছে কেন?’, ‘বিজ্ঞ আলেমের বক্তব্যে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা আমাদের জীবনে কী প্রভাব ফেলতে পারে তা ব্যাখ্যা করো’। এবং তরুণদের উদ্দেশ্যে দেয়া সেফুদার বক্তব্যটি কিসের শামিল? এর ফলাফল বিশ্লেষণ করো’।

দেশের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজউক রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের প্রশ্নপত্রে সেফাত উল্লাহকে উল্লেখ করার বিষয়টি অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছে। ফলে প্রশ্নটি কারো কাছে হাসির বিষয়, আবার কারো কাছে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রশ্নপত্র তৈরি করার জন্যে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। এসব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা, পাল্টা সমালোচনা চলছে।