সরকারি খরচে হজে যাচ্ছেন আহমদ শফির ছেলেসহ হেফাজত নেতারা

১০:৪৯ অপরাহ্ণ | বুধবার, জুলাই ১০, ২০১৯ জাতীয়
HAZ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ মঙ্গলবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শিব্বির আহমদ উছমানি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, হজ পালন ও ধর্মীয় পরামর্শ দিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের খরচে হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী ও একাধিক হেফাজত নেতাসহ ৫৫ জন বিশিষ্ট ওলামা মাশায়েখ সৌদি আরব যাচ্ছেন।

৫৫ সদস্যবিশিষ্ট ওলামা মাশায়েখ টিমের তালিকায় প্রথমেই আছেন হেফাজত নেতা ও আল হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়্যার কো-চেয়ারম্যান মাওলানা আশরাফ আলী, পটিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল হালিম বোখারী, গওহরডাঙা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা রুহুল আমীন ও তার ছেলে মাওলানা ওসামা আমিন, ঢাকার গেন্ডারিয়ার মাদ্রাসা বায়তুল উলুমের প্রিন্সিপাল মাওলানা জাফর আহমাদ, কিশোরগঞ্জের চকমপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা ইয়াকুব আলী খন্দকার, চট্টগ্রামের জিরি মাদ্রাসার মাওলানা শাহ মো. তৈয়্যব, আহমদ শফীর ছেলে চট্টগ্রাম মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা আনাস মাদানী, হেফাজত নেতা ও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মাওলানা সালাহউদ্দীন নানুপুরী, চরমোনাই পিরের ভাই ও চরমোনাই কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুসাদ্দিক বিল্লাহ মাদানী, পিরোজপুরের শার্ষিনা দারুস সুন্নাত আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ শরাফত আলী, হেফাজত নেতা ও আকবর কমপ্লেক্সের প্রধান মুফতি মাওলানা দিলাওয়ার হুসাইন, শায়াখ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্স সেন্টার কুড়িলের মুহতামিম মুফতি মীযানুর রহমান সাঈদ, বনশ্রীর দারুল উলুম রামপুরা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা ইয়াহইয়া, মুফতি মোহাম্মদ আলী, জামিয়া কুরআনিয়া লালবাগ মাদ্রাসার মুফতি মুহাম্মদ ইয়াহইয়া, মাওলানা নিয়ামত উল্লাহ ফরিদী, মাওলানা শামছুল হুদা খান, হেফাজত নেতা ও বড় কাটারা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি সাইফুল ইসলাম, সিলেটের গওহরপুর মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মোসলেউদ্দীন রাজু, ইকরা বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন, মাওলানা আবদুর রাজ্জাক, মাওলানা ওসমান গনি, পটিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা রেজাউল করীম, মাওলানা আবুল কাশেম ফজলুল হক প্রমুখ।

আগামী ৪ ও ৫ আগস্ট ওলামা মাশায়েখদের দলটি সৌদি আরব যাবেন। ২৩ আগস্ট তারা দেশে ফিরবেন। এটি রাষ্ট্রীয় খরচে হজ সফর হিসেবে গণ্য হবে। তাদের ভ্রমণ ব্যয়, এ বছর ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশের বাহিরে হজ বাবদ ব্যয়’ খাতে বরাদ্দ রাখা অর্থ থেকে বহন করা হবে।