সংবাদ শিরোনাম
প্রেমপত্র দিতে গিয়ে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি! | মসজিদের বারান্দায় পড়াশোনা করছেন মুশফিক! | ফেলে দেওয়া নবজাতক শিশুকে ড্রেন থেকে টেনে তুলে প্রাণ বাঁচালো কুকুর | ঠাকুরগাঁওয়ে ফেন্সিডিল সেবনের সময় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার | পদ্মায় গোসল করতে গিয়ে ভেসে গেল নবদম্পতি! | বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নারী হত্যার ঘটনায় আটক ৩ | বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নারী হত্যার ঘটনায় আটক ৩ | ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলার প্রস্তুতি | ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্যই প্রিয়া সাহা মিথ্যাচার করেছেন: পূর্তমন্ত্রী | নবীগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত করার অভিযোগে যুবকের ৬ মাসের কারাদন্ড |
  • আজ ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘২০৪৭ সালের আগেই ভারত পাকিস্তানে পরিণত হবে’- বিজেপি মুখপাত্র

১১:৩৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুলাই ১১, ২০১৯ আন্তর্জাতিক
BJP

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র অশ্বিনী উপাধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছেন, ভারত ২০৪৭ সালের আগেই পাকিস্তানে পরিণত হতে পারে। এজন্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন তৈরি করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তিনি দাবি করেন, যদি অভিন্ন শিক্ষা, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পাশপাশি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন দ্রুত তৈরি করা না হয় তাহলে ভারত ২০৪৭ সালের আগে পাকিস্তানে পরিণত হবে।

এব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর ড. গৌতম পাল বলেন, ‘এই ধরনের প্রবণতা বা এধরনের ভাবনাচিন্তা ভারতের যে সার্বভৌমত্ব ও একাধিকত্বের ধারণাকে আঘাত করে।

আইন প্রণয়ন করে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। অধুনা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির ফলে আমাদের মৃত্যু হার কমে গেছে। জনসংখ্যা বাড়ছে শুধু নয়, মৃত্যু হারও কমে গেছে।’

গৌতম পাল বলেন, ‘যারা বলছেন, যারা আগামী ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত পাকিস্তান হয়ে যাবে আমি ওই মতে শরিক হচ্ছি না। এটাও তো হতে পারে আগামী ২০৪৭ সালে পাকিস্তান, বাংলাদেশ অখণ্ড ভারতের মধ্যে সংযোজিত হতে পারে। অখণ্ড ভারত আগের মতো ফিরে আসতে পারে।’

তাঁর কথায়, ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করলে ধর্মীয় ও সামাজিক আঘাত আসতে পারে কি না তা ভাবতে হবে। অভিন্ন বিধি চালু করতে গেলে ভারতের অখণ্ডতা তা আগামীদিনে থাকবে কি না তা ভেবে নিয়ে ওই পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত। সার্বিকভাবে আমি মনে করি এই ধরণের চিন্তাভাবনা বাস্তবোচিত নয়।’

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আলীগড়ে বিজেপি ঘনিষ্ঠ যোগগুরু রামদেব এক অনুষ্ঠানে দেশের বাড়তি জনসংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তা প্রতিরোধের উপায় হিসেবে যাদের দুইয়ের বেশি সন্তান আছে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যাদের দুইয়ের বেশি সন্তান, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে তাদের ভোটাধিকার, সরকারি চাকরি এবং চিকিৎসার সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নিতে হবে। তাহলেই একমাত্র দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।’

২০১৮ সালেও যাদের দুইয়ের বেশি সন্তান আছে তাদের সন্তানকে সরকারি স্কুলে ভর্তি করা উচিত নয়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া উচিত নয় এবং তাদেরকে সরকারি চাকরি দেয়া উচিত নয় বলে রামদেব মন্তব্য করেছিলেন।