সংবাদ শিরোনাম
প্রেমপত্র দিতে গিয়ে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি! | মসজিদের বারান্দায় পড়াশোনা করছেন মুশফিক! | ফেলে দেওয়া নবজাতক শিশুকে ড্রেন থেকে টেনে তুলে প্রাণ বাঁচালো কুকুর | ঠাকুরগাঁওয়ে ফেন্সিডিল সেবনের সময় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার | পদ্মায় গোসল করতে গিয়ে ভেসে গেল নবদম্পতি! | বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নারী হত্যার ঘটনায় আটক ৩ | বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নারী হত্যার ঘটনায় আটক ৩ | ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলার প্রস্তুতি | ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্যই প্রিয়া সাহা মিথ্যাচার করেছেন: পূর্তমন্ত্রী | নবীগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত করার অভিযোগে যুবকের ৬ মাসের কারাদন্ড |
  • আজ ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করে অসংখ্য তরুণীকে দিনের পর দিন ধর্ষণকারী ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার!

১২:০২ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, জুলাই ১২, ২০১৯ আলোচিত

কুমিল্লা প্রতিনিধি :: লাকসামে ধর্ষণের অভিযোগে ডা. মীর হোসেন নামে এক ভুয়া ডাক্তারকে আটক করেছে র‌্যাব। ওই ভুয়া ডাক্তার লাকসাম শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক। চাকুরি দেয়ার নামে ওই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে তিনি ধর্ষণ করেছেন। বুধবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, কনডমসহ বিভিন্ন অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্যসহ তাকে আটক করে। তিনি পৌর শহরের বাইনচাটিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।

সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা র‌্যাব ১১-এ এক জোসনা (ছদ্মনাম) নামে নারী লিখিত অভিযোগ দেন। ওই নারী বলেন, শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারে কর্মরত চার মাস যাবত হেলথ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলাম। ওই হেলথ কেয়ারের মালিক ডা. মীর হোসেন চাকুরীর শুরু থেকেই আমাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। কিন্তু আমি চাকুরি রক্ষা ও জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে সবকিছু সহ্য করে আসছিলাম। এক পর্যায়ে ডা. মীর হোসেন আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। গত চার মাসে সে আমাকে ৩০ বারের অধিক ধর্ষক করে। প্রতিবার ধর্ষণ করার পর সে আমার শরীরে ব্যথা নাশক অজ্ঞান করার একটি ইনজেকশান পুশ করতো। ধর্ষণের পর মীর হোসেন আমাকে হুমকী ধমকি দিয়ে বলেে একথা যদি কেউ জানতে পারে তাহলে আমাকে চাকুরিচ্যুত করে মিথ্যা মামলা দিবে বলে ভয় দেখায়। আমি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম হওয়ায় তার এ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলাম। কিন্তু দিন দিন তার অত্যাচার নির্যাতন বেড়ে চলায় নিরুপায় হয়ে গত সোমবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ তে লিখিত অভিযোগ করি।

স্থানীয়ভাবে জানা যায়, ডা. মীর হোসেন একইভাবে তার চেম্বারে বহু তরুণীকে চাকুরি দেয়ার নাম করে সর্বনাশ করেছে। তার হুমকী ধমকীর কারণে কেউ মুখ খোলার সাহস করেনি। এছাড়া ভুয়া ডা. মীর হোসেনকে বেশ কয়েকবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। কিছুদিন পর আবার সে কৌশলে আবার চেম্বার খুলে তার পুরোনো অপকর্ম শুরু করে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কোম্পানী কমান্ডার প্রণব কুমার জানান, ওই নারীর লিখিত অভিযোগ পেয়ে আমরা লাকসাম ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক ডা. মীর হোসেনের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, বিপুল পরিমাণ কনডমসহ বিভিন্ন অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্য পাওয়া যায়। তিনি কোন ডাক্তার নন। তিনি চাকুরি দেয়ার নামে এই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। তাকে ও তার চেম্বারে কর্মরত অপর এক মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।