সংবাদ শিরোনাম
ব্যস্ত সময় পার করছেন সাভার ও আশুলিয়ার প্রতিমা শিল্পীরা | অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী | পরকীয়া প্রেমিক নাতির পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন দাদি! | মাগুরায় যুবলীগ নেতার পিতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন | শিক্ষা দিবসে ইবি ছাত্র ইউনিয়নের র্যালি | আট দিনের আন্দোলনেও সুরাহা মেলে নি বাকৃবি শিক্ষার্থীদের | প্রকল্পের পণ্য কিনতে দাম নির্ধারণে সর্তক হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | বাকৃবিতে জিটিআইয়ে কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী | নেত্রী পদে থাকতে বলেন থাকব, না বললে থাকব না: কাদের | প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে হবে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল |
  • আজ ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত ৪৫ হাজার মানুষ

১১:৫৯ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জুলাই ১২, ২০১৯ রংপুর

ফয়সাল শামীম:স্টাফ রিপোর্টার: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টির পানিতে কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে করে নদ-নদী তীরবর্তী নিন্মাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এসব এলাকার অন্তত ৪৫ হাজার মানুষ। তলিয়ে গেছে গ্রামীন রাস্তাঘাট, মাছের ঘের, শাক সবজিসহ আমন বীজতলা।

বাড়ীঘর ছেড়ে রাস্তায় বা উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে এসব বানভাসী মানুষ। খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছে তারা।

সরেজমিনে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বলদি পাড়া, গারুহারা, ভগবতিপুর, কালির আলগা, উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চরবাগার কুটি, চর গুজিমারী, বাবুর চর, গাবুরজানসহ ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকার বিভিন্ন ইউনিয়নের চরাঞ্চলগুলোর ঘর-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে।

যাত্রাপুর ইউনিয়নের বলদিয়া পাড়া গ্রামের এরশাদুল হক জানান, গত রাত থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি হু হু করে বাড়ছে। তীরবর্তী ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বন্যার আশংকা রয়েছে।

সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: আইয়ুব আলী সরকার জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার চরাঞ্চলের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়ে পড়েছে। যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলে প্রায় ১২শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানায়, গত ৩০ ঘন্টায় ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ৫৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৫৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও ব্রহ্মপুত্রের পানি নুন খাওয়া পয়েন্টে ৬০ সেন্টিমিটার ও তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।