টাঙ্গাইলে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুলছাত্রী

৯:২১ অপরাহ্ণ | শনিবার, জুলাই ১৩, ২০১৯ ঢাকা

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের হস্তেেপ বাল্যবিয়ে থেকে রা পেয়েছে ৮ম শ্রেণীর এক ছাত্রী। এ ছাড়া বাল্যবিয়ের দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ওই ছাত্রীর পিতা বাবুল মিয়াকে ৬ মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

দুপুরে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আয়শা জান্নাত তাহেরা এ দন্ডাদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট জানা যায়, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার গিলারচালা গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে আশিকের (২৫) সাথে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দামিয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী জিনিয়া আক্তারের (১৪) বাল্য বিয়ে ঠিক হয়। শনিবার তাদের বিয়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল।

সে মোতাবেক বিয়ের দিন কনের বাড়িতে ধুমধামে চলছিল বিয়ের প্রস্তুতি। রান্নার-বান্নাও ছিল শেষের দিকে। ইতিমধ্যেই বিয়ে বাড়িতে দুপুরের দিকে বরপক্ষ এসে হাজির হয়। ঠিক তখনই খবর পেয়ে বিয়ে বাড়িতে পুলিশ নিয়ে হাজিরা হন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আয়শা জান্নাত তাহেরা। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বরসহ বরপক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। পরে ওই বাড়িতে গিয়ে আদালত বসিয়ে কনের বাবা বাবুল মিয়াকে ৬ মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়। আর এতে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পায় ওই ছাত্রী।

সখীপুর থানার এসআই আইনুল মিয়া বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায় পেয়ে বিকেলে কনের বাবা বাবুল মিয়াকে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আদালতের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আয়শা জান্নাত তাহেরা বলেন, বাল্য বিয়ের সংবাদে পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে কনের বাবাকে ৬ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।