সংবাদ শিরোনাম
এরশাদের অবদান জাতি সবসময় স্মরণ করবে: জিএম কাদের | নমুনা বিবেচনায় আক্রান্তের হার বেশি: ওবায়দুল কাদের | সাবরিনা একা চোর নয়, এরসঙ্গে সরকারের মন্ত্রীরাও জড়িত: জাপা মহাসচিব | সিরাজগঞ্জে করোনা সন্দেহে বৃদ্ধ পিতাকে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে | করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, জমির আইলে পেঁপে চাষ করে লাভবান শিক্ষার্থী মামুন | করোনায় মারা গেলেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা | সাভারে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে অটোরিকশা চালক নিহত | রংপুরের গংগাচড়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত, সড়ক ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন | ঠাকুরগাঁওয়ে আবারও টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু, মানা হচ্ছে না শারীরিক দূরত্ব | অনলাইন মিটিংয়ে খরচ ৫৭ লাখ, সচিবের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাইলেন মন্ত্রী |
  • আজ ৩০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এ বন্যায় কৃষিতে তেমন ক্ষতি হবে না: আব্দুর রাজ্জাক

৭:১৫ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুলাই ১৫, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- মাঠে তেমন ফসল না থাকায় এ মুহূর্তে বন্যায় কৃষিতে ক্ষতি কম হবে বলে মনে করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

সোমবার সচিবালয়ে চাল রপ্তানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমত প্রকাশ করেন।

রাজ্জাক বলেন, ‘এ মুহূর্তের বন্যায় তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। মাঠেও তেমন কোনো ফসল নেই।’

বন্যার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বন্যার দরকার আছে দুটি কারণে- আমরা যে সেচ ব্যবস্থায় গেছি, নিচ থেকে পানি তুলে খরচ করছি। এটা পূরণ করতে হবে। বন্যা না হলে, বৃষ্টি না হলে এটা কীভাবে হবে। পানির স্তর আস্তে আস্তে নিচে নেমে যাচ্ছে।

“আরেকটা হল, বন্যার পানির সাথে অনেক পলিমাটি আসে, যেটার মধ্যে অনেক নিউট্রিয়ান্ট, অনেক সার আছে। এটাকে ছোট করে দেখার কোনো কারণ নেই।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বন্যা-খরার দেশ। আমরা ছোটবেলা থেকে পড়েছি, বন্যা আমাদের জন্য আশীর্বাদ, আবার খুব খারাপ হলে অভিশাপ। আমরা চাই না বন্যায় আমাদের ক্ষতি হোক, কিন্তু আমরা সবসময় মনে করি স্বাভাবিক বন্যা আমাদের জন্য আশীর্বাদ, আমাদের চাষীদের জন্য কল্যাণ-মঙ্গলজনক।’

বাংলাদেশ থেকে ফিলিপাইন চাল নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলেও এসময় জানান কৃষিমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে এক লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।

কৃষিমন্ত্রী জানান, এবার চালের উৎপাদন বিশেষ করে বোরোতে বেশ ভালো হয়েছে। আমনেও এক কোটি ৪০ লাখ টন টার্গেট ছিল, উৎপাদন হয়েছে এক কোটি ৫৩ লাখ টন। এখন আমাদের অনেক মিলার-ব্যবসায়ীদের গুদামে যথেষ্ট চাল রয়েছে। এবার বোরোতে উৎপাদন ভালো হওয়ায় অস্বাভাবিকভাবে চালের দাম কমে গিয়েছে। চালের দাম খুবই কম। এজন্য আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। আমাদের কৃষকরা-চাষিরা সত্যিকারে ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। এ পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কিছু চাল রপ্তানি করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ফিলিপাইনে চাল রপ্তানির বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, একটি পার্টি এসেছে, তারা চাল আমদানিতে ফিলিপাইন সরকারকে সহযোগিতা করেন। ফিলিপাইন সরকারও বলছে, তারা জিটুজি (সরকারের কাছ থেকেও) চাল কিনতে পারে। তারা কয়েক দিন যাবৎ বিভিন্ন মিলে গিয়েছে, মান দেখে তারা বলেছে বাংলাদেশে চালের গুণগত মান ভালো।ফিলিপাইনের মানুষ সিদ্ধ চাল খায়। কাজেই ফিলিপাইনে সহজেই চাল বিক্রি করা যাবে। তারা মনে করেছে, দামও মোটামুটি রিজেনেবল। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড চালের মূল রপ্তানিকারক, তাদের দামের তুলনায় আমাদের চালের যে কোয়ালিটি তাতে দাম মোটামুটি ভালো হবে। আমার মনে হয়, চাল রপ্তানির ব্যাপারে খুব তাড়াতাড়ি আমরা ভালো ডিল করতে পারবো।