সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৮ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় ভারতীয় জাল রুপি তৈরির কারখানা, আটক ৩

৭:৩২ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুলাই ১৫, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- চকচকে নতুন সব নোট। বাংলাদেশি কোনো টাকার নোট নয়, সবই ভারতীয় রুপি। নিখুঁত এর কারুকাজ। খালি চোখে দেখলে বোঝার উপায় নেই যে, এগুলো ভারতীয় জাল রুপির নোট। এসব জাল নোট তৈরির করা হতো রাজধানী ঢাকার রামপুরা এলাকার একটি বাড়িতে। রীতিমতো কারখানা করে এখানে জাল রুপি তৈরি করত একটি চক্র।

এই কারখানা থেকে ২১ লাখ জাল রুপির নোটসহ চক্রটির তিন সদস্যকে আজ সোমবার গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) উত্তর বিভাগের একটি দল।

প্তার তিনজন হলেন রফিকুল ইসলাম খসরু, মো. আব্দুর রহিম ও জনি ডি কস্তা। এদের কাছ থেকে পাওয়া ২১ লাখ রুপির সবই ৫০০ ও ২০০০ রুটির নোট। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে জাল রুপি তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, একটি কালার প্রিন্টার, একটি লেমিনেটিং মেশিন, জাল রুপি তৈরির বিপুল পরিমাণ কাগজ, প্রিন্টারে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের কালি, সিকিউরিটি সিল সংবলিত স্ক্রিন বোর্ড, গাম ও জাল রুপি তৈরির জন্য ব্যবহৃত সিল মারা ফয়েল পেপার উদ্ধার করা হয়।

ডিবির উপকমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বলেন, গত ৯ জুলাই রামপুরার উলন রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে জাল বাংলাদেশি টাকা তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে উদ্ধার হওয়া ভারতীয় রুপি তৈরিতে ব্যবহৃত বিশেষ ফয়েল পেপারের সূত্র ধরে জাল ভারতীয় রুপি তৈরির কারখানাটির সন্ধান পায় ডিবি। রামপুরার পলাশবাগ মোড়ের একটি আবাসিক ভবনের অষ্টম তলার একটি ফ্ল্যাটে কারখানাটি ছিল। সেখানে আজ সকালে অভিযান চালিয়ে ২১ লাখ জাল রুপির নোটসহ এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার প্রধান মাসুদুর রহমান জানান, ‘সামনের কোরবানির ঈদে পোশাক ও গরু আমদানির কাজে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জাল ভারতীয় রুপি পাচার করে আর্থিকভাবে লাভবান হতে সক্রিয় হয় এ জালিয়াত চক্রটি। চক্রটির মূল নেতা রফিকুল ইসলাম খসরু। সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, যশোরের আগ্রহী ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী জাল রুপি সরবরাহ করার দায়িত্ব ছিল তার।’