বৃষ্টি আসলেই জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তিতে লালমনিরহাট পৌরবাসী

৯:২৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুলাই ১৫, ২০১৯ রংপুর

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাট পৌরসভায় ড্রেনেজ ব্যাবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে শহরের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি আসলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, চরম ভোগান্তিতে পড়েন এলাকাবাসী। বৃষ্টির পানিতে  ময়লা আবর্জনা মিশে যাওয়ায় যোগ হয় নাগরিকদের ভোগান্তি।

বিল্ডিং কোড না মেনে অপরিকল্পিতভাবে শহরে তৈরি হচ্ছে বাড়ীঘর, অধিকাংশ জায়গায় নেই ডাস্টবিন। ফলে স্থানীয় ব্যবসায়িদের যত্র-তত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা, পৌর কর্তৃপক্ষ ড্রেন ও রাস্তাঘাট পরিস্কার না করা এবং পৌর নাগরিকদের অসচেতনতার কারনে এই জলাবদ্ধতার মূল কারন বলে মনে করেন সচেতন মহল।

তারা বলেন, পৌর কর্তৃপক্ষের উচিত জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন মহল্লার ড্রেন সংস্কার করা, ডাস্টবিন নির্মান করা এবং ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড না মেনে যারা বাড়িঘর তৈরি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করা।

শহরের খেদ্দসাপটানা এলাকার রুস্তম আলী বলেন, আমার এলাকায় সামান্য বৃষ্টি আসলেই একহাটু পানি হয় এ কারনে আমরা চলাচল করতে পারি না । অনেকদিন যাবৎ আমাদের এ সমস্যা মেয়রকে বলার পরেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননা আমরা এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির শিকার।

শহরের বসুন্ধরা এলাকার রতন মিয়া বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, ময়লা আবর্জনা বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে এতে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এদিকে শহরের ২ নং ওয়ার্ডের নবীনগর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকার প্রায় ২০ টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে। ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মানের কারনে আমরা পানিবন্দি অবস্থায় জীবনযাপন করছি।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট পৌরসভার শহর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুজ্জামান বলেন বর্তমান যে ড্রেনগুলো তৈরি হয়েছে তা কোনো প্রকার পরিকল্পনা ছাড়াই তৈরি হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে তৈরিকৃত ড্রেনের সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু বলেন, আমরা গোটা পৌর এলাকায় নতুন ড্রেন তৈরি করছি। আমাদের সম্পূর্ন কাজ শেষ হলে জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।