সংবাদ শিরোনাম
কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিকসামগ্রী তৈরি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত ৮জনের মৃত্যু | গ্রামবাসীর অর্থায়নে তৈরি হচ্ছে মৌলা নদীর উপর ‘স্বপ্নের জনতা’ ব্রীজ | নোবিপ্রবিতে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে লড়বে আওয়ামী পন্থী দুই দল | জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১২-১৫ ডিসেম্বর সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ | বেনাপোল ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত করার নির্দেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের | টাঙ্গাইলে ফসলি জমির মাটি ইটভাটায় বিক্রি এলাকাবাসীর ক্ষোভ | কাপাসিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ২ | শিশুকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে গেল ১৪ বছরের কিশোর! | বনানীতে বাসার পাশে মাটিতে পোঁতা চীনা নাগরিকের লাশ | যশোরের চৌগাছায় নববধূকে ধর্ষণ করল চা-দোকানি! |
  • আজ ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় প্রিয় নেতাকে বিদায় জানাতে রংপুরে লাখো জনতার ঢল

১:২৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- শেষবারের মতো রংপুরে এলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তবে এবারের আসাটা অন্য বারের মতো নয়। এবার এলেন কফিনবন্দি হয়ে।

মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টায় তার মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার রংপুর সেনানিবাসে এসে পৌঁছায়। পরে এরশাদের মরদেহ রংপুর কেন্দ্রীয় ইদগাহ মাঠে নিয়ে যাওয়া হবে। মরদেহ জানাজার মাঠে পৌঁছানোর পর গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। সেখানে বাদ জোহর চতুর্থ জানাজা শেষে রংপুরের লাখো কর্মী-সমর্থক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানাবেন তাদের প্রিয় নেতাকে।

এদিকে প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে সকাল থেকেই জানাজা মাঠে উপস্থিত হতে থাকেন হাজার হাজার দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। তারা জানান, রংপুরের পাশের জেলাগুলো থেকে একযোগে বাস, ট্রাক ও মাইক্রোবাসে করে রওয়ানা হয়েছেন অনেকে।

গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে এরশাদকে দেখতে হাজার হাজার মানুষ বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করে জানাজা মাঠে উপস্থিত হয়েছেন।

মাঠের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা যায়, ঈদগাহের ইমামের জায়গার সামনে এরশাদের মরদেহ রাখার জন্য একটি টেবিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। টেবিলের পশ্চিম পাশের একটি গলির মতো করা হয়েছে। এই গলির একদিকে প্রবেশ করে মরদেহ একনজর দেখে আরেক দিক দিয়ে বের হয়ে যাবেন সাধারণ মানুষ।

মাঠ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদগাহ মাঠে মোট ৬০ থেকে ৭০ হাজার লোক একসাথে জানাজায় অংশ নিতে পারবে। বাকী লোকের মধ্যে পাশেই ক্রিকেট গার্ডেনে ৮০ হাজার লোক এবং পুলিশ লাইন্স মাঠে আরও ৮০ হাজার লোকের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। এছাড়া রংপুর সরকারি কলেজের সামনের ফাঁকা জায়গায় আরও ২০ হাজার লোকসহ আশেপাশের সড়কগুলোতে অন্তত আরও ৫০ হাজার লোক একসাথে জানাজায় অংশ নিতে পারবেন।

এদিকে কোথায় এরশাদের দাফন করা হবে তা নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও সকালে এরশাদের ভাই জি এম কাদের জানিয়েছেন ঢাকার বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। অন্যদিকে রংপুর জাতীয় পার্টি দাবি করে আসছে রংপুরে তাদের নেতাকে দাফন করার ব্যাপারে। এজন্য তারা সেখানে কবরও খনন করে রেখেছেন।

জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি মেয়র মোস্তফা জানিয়েছেন, ‘পল্লীনিবাসে উঠতে না পারলেও পল্লীনিবাসের উঠানেই শায়িত হবেন আমাদের প্রিয় নেতা, শ্রদ্ধাভাজন অভিভাবক।’

রংপুর জাপার একটি সূত্র জানিয়েছে, কোনোভাবেই এরশাদের মরদেহ রংপুর থেকে ঢাকায় নিতে দেবেন না তারা। এজন্য যা করার তাই করবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। গোপনে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতেও বলা হয়েছে।

Loading...