সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৮ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পল্লী নিবাসেই চিরশায়িত এরশাদ

৬:৩৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০১৯ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে রংপুরের পল্লী নিবাসেই দাফন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বাদ আসর তার দাফন শেষ হয়।

দাফনের আগে কবরের পাশে তার মরদেহকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অর্নার প্রদান করা হয়। এ সময় সবস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। কবরে মাটি দিতে এসে অনেক নেতা কর্মীকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।

এর আগে চার কিলোমিটার হেঁটে জাতীয় পার্টির সদ্য প্রয়াত চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়ি এরশাদের স্বপ্নের বাসভবন রংপুরের পল্লী নিবাসে নিয়ে যান দলীয় নেতাকর্মীরা।

রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ তার মরদেহ বহনকারী গাড়ি নিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় পল্লী নিবাসে পৌঁছান। সেখানে মরদেহ পৌঁছানোর পর সেনাবাহিনীর পক্ষে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মরদেহ দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

দাফনের আগে এরশাদপুত্র স্বাদ তার বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। সবশেষে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এরশাদকে দাফন করা হয়।

এর আগে চতুর্থ জানাজা ও এলাকাবাসীকে একনজর দেখাতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে রংপুরে নেওয়া হয়। তার মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টারটি ১১টা ৫০ মিনিটে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে অবতরণ করে। পরে ১২টা ১৫ মিনিটে রংপুর ক্যান্টমেন্টে থেকে কালেক্টরেট মাঠে এরশাদের মরদেহ নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার বাদ জোহর এরশাদের জানাজাকে কেন্দ্র করে সকাল ৯টা থেকে রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। তারা জানান, রংপুরের পাশের জেলাগুলো থেকে একযোগে বাস, ট্রাক ও মাইক্রোবাসে করে রওয়ানা হয়েছেন অনেকে। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে এরশাদকে দেখতে আসা মানুষ বুকে কালো ব্যাজ পরে জানাজা মাঠে উপস্থিত হন।