সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

যেকোন সময় ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা

১২:৪০ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯ ঢাকা, দেশের খবর

রবিউল ইসলাম, সময়ের কণ্ঠস্বর- টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৯১ সে‌ন্টি‌মিটার উপর দি‌য়ে প্রবা‌হিত হ‌চ্ছে। এতে জেলার ভূঞাপুর উপজেলায় ১১১ টি গ্রামের কয়েক লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

এছাড়া বুধবার (১৭ জুলাই) রাতে পানির তোড়ে উপজেলার তাড়াই এলাকার বাঁধ ভেঙে হু হু করে পানি প্রবেশ করে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে। ওই সময় তীব্র স্রো‌তে নদীর পা‌নি প্রবেশ করায় ভে‌ঙে গেছে কয়েকটি ঘর-বা‌ড়ি। তলিয়ে গেছে মসজিদ, মন্দিরসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বন্যার পানিতে বসতবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় অনেকেই ঘরের মধ্যে উঁচু বাঁশের মাচা পেতে পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পরিবার-পরিজন ও গবাদিপশু নিয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি, অন্যের উঁচু জমি ও বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে তাড়াই এলাকার বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান দিয়ে পানি লিকেজ হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে রয়েছে সড়কটি। যেকোন সময় সড়কটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাড়াই এলাকার বাঁধ রক্ষায় কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় গ্রামবাসী চেষ্টা করেও সেটি রক্ষা করতে পারেনি। এখন ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক হুমকির মুখে।

পৌর এলাকার কুতুবগ্রামের আরিফুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, রাতের আঁধারে পানি এসে পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে পানি, অনেকের আবার ঘরের মধ্যেও পানি চলে গেছে। এছাড়া প্রায় প্রতিটা রাস্তা দিয়ে নৌকা চলছে, স্কুল মাঠেও কোমর পানি।

ফলদা ইউনিয়নের মাইজবাড়ি গ্রামের জুব্বার আলী বলেন, পানির তীব্র স্রোতে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক এখন হুমকির মুখে রয়েছে। এ সড়ক ভেঙে গেলে উত্তর টাঙ্গাইলের গোপালপুর, ঘাটাইল, মধুপুর ও কালিহাতী এই চারটি উপজেলা নতুন করে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাবে। সড়কের লিকেজ বন্ধ করতে স্থানীয়রা ইতিমধ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

Loading...