সংবাদ শিরোনাম
কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিকসামগ্রী তৈরি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত ৮জনের মৃত্যু | গ্রামবাসীর অর্থায়নে তৈরি হচ্ছে মৌলা নদীর উপর ‘স্বপ্নের জনতা’ ব্রীজ | নোবিপ্রবিতে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে লড়বে আওয়ামী পন্থী দুই দল | জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১২-১৫ ডিসেম্বর সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ | বেনাপোল ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত করার নির্দেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের | টাঙ্গাইলে ফসলি জমির মাটি ইটভাটায় বিক্রি এলাকাবাসীর ক্ষোভ | কাপাসিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ২ | শিশুকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে গেল ১৪ বছরের কিশোর! | বনানীতে বাসার পাশে মাটিতে পোঁতা চীনা নাগরিকের লাশ | যশোরের চৌগাছায় নববধূকে ধর্ষণ করল চা-দোকানি! |
  • আজ ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মিন্নির পক্ষে কোন আইনজীবি, মানবাধিকার সংগঠন কেন নেই প্রশ্ন আসিফ নজরুলের

৩:৫৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯ ফিচার
ASIF

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বরগুনার রিফাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে সারাদেশে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রত্যক্ষদর্শী প্রধান সাক্ষী থেকে বুধবার আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ান তাঁর স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। তাকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। পুলিশ দাবি করছে, এ হত্যাকাণ্ডের সাথে মিন্নি সরাসরি জড়িত।

এ বিষয় নিয়ে এবার মুখ খুললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) তিনি তার নিজের ফেসবুক পেইজে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ও এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

ড. আসিফ নজরুল বলেন, কুখ্যাত খুনী, ধর্ষক, দূর্নীতিবাজ, মাদকব্যবস্যায়ী সবার জন্য আইনজীবিরা লড়তে পারেন। তাহলে মিন্নির জন্য কেন কোন আইনজীবি নেই? এটা দেখে আমার তো সন্দেহ হচ্ছে নয়ন বন্ড-এর গড়ফাদাররা আছে তাকে ফাসিয়ে দেয়ার পেছনে। না হলে তার পক্ষে লড়তে ভয় বা অনীহা কেন সেখানকার সব আইনজীবীর।

মিন্নির পক্ষে দাড়ানোর জন্য নেই কোন মানবাধিকার সংগঠনও?

‘মিন্নি নয়ন বন্ডের বাড়িতে গিয়ে রিফাত হত্যার পরিকল্পনা করে’

উল্লেখ, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনার পরের দিন রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

এ মামলায় পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত সাতজন (ছয়জন জীবিত) ও সন্দেহজনক সাতজন আসামিসহ মোট ১৪ জনকে গ্রেফতার করে। এজাহারভুক্ত গ্রেপ্তার চারজন এবং সন্দেহজনক ছয়জন আসামিসহ মোট ১০ জনকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া এজাহারভুক্ত দুজন এবং সন্দেহজনক একজনসহ মোট তিন আসামিকে আদালতের অনুমতিক্রমে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে এনে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এ ছাড়া এই মামলায় পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছে পুলিশ।

Loading...