সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৮ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

হুমায়ূন আহমেদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

৩:১০ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯ ফিচার
humayun

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ আজ ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী বাঙলা সাহিত্যের বরপুত্র খ্যাতিমান কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের । ২০১২ সালের এই দিনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

হুমায়ূন আহমেদের সপ্তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গাজীপুরের নূহাশ পল্লীতে আজ কোরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। নূহাশ পল্লীর আশপাশের মাদরাসা ও এতিমখানার ছাত্র, পরিবারের সদস্য এবং হুমায়ূন আহমেদের ঘনিষ্ঠদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে।

নূহাশ পল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আশপাশের কয়েকটি মাদরাসা ও এতিমখানার ছাত্ররা নূহাশ পল্লীতে কোরআন তেলাওয়াত করবেন।

পরে তারা কবর জিয়ারত ও দোয়ায় শরিক হবেন। এ দিনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে হুমায়ূন আহমেদের দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিতসহ স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন গতকাল নূহাশ পল্লীতে গেছেন।

১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোনা মহুকুমায় জন্ম। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও সমাদৃত। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।

বাংলা উপন্যাসে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি পুরস্কার, মাইকেল মধুসুদন পদক, হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯৪ সালে দেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর ২০১২ সালের ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালে এই নন্দিত লেখক মৃত্যুবরণ করেন।