সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৮ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মুসলিম শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘প্রসাদ’ বিতরণকারীদের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবি আল্লামা শফীর

১:০৯ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, জুলাই ২০, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ
SOFI

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ  হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী (ফুড ফর লাইফ) কর্মসূচির আড়ালে গত ১১ জুলাই থেকে নগরীর প্রায় ৩০টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রসাদ খাওয়ালো আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ-ইসকন।

জানা যায়, ইসকন কর্মীদের শেখানো মতে, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মন্ত্র পাঠ করে এ প্রসাদ গ্রহণ করে। শ্লোক-মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রসাদ বিতরণ বিশ্বের অন্যতম সাম্প্রয়িক সম্প্রীতির এ দেশে সম্প্রীতি বিনষ্টের মাধ্যমে উসকানির পাঁয়তারা করছে উগ্রবাদী সংগঠন ইসকন।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এমনটা দাবি করে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন, ইসকন মুসলিম শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করে মুসলিম ধর্মীয় চেতনাবোধেও মারাত্মক আঘাত করেছে। মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসে এসব মন্ত্র মুখে উচ্চারণ করার কোনো প্রকারের বৈধতা নেই।

হিন্দু সম্প্রদায় পুণ্যের আশায় দেবতার নামে উৎসর্গকৃত খাবারই হলো প্রসাদ। এ প্রসাদ আহার করা মুসলমানদের জন্য হারাম।
হেফাজত আমির বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক ধর্মাবলম্বী নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবেন। তবে নিজেদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান অন্য ধর্মের কারও ওপর চাপিয়ে দেয়া ধর্মীয় অধিকার ও অনুভূতিতে হস্তক্ষেপের শামিল, যা সংবিধান পরিপন্থী ও সুস্পষ্ট সংবিধান লঙ্ঘন।

তিনি আরও বলেন, মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কোমলমতি মুসলিম শিক্ষার্থীদের (হরে কৃষ্ণ হরে রাম, মাতাজি প্রসাদ কি জয়) শব্দ উচ্চারণ করিয়ে ঈমান হরণের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ দেশে সকল ধর্মের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে এমন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করে উগ্রবাদী সংগঠন ‘ইসকন’ এর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করুন।

বিবৃতিতে আল্লামা আহমদ শাহ শফী কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অনতিবিলম্বে এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ ও ইসকনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে আমাদের ঈমান আকিদা রক্ষা ও দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে ইসকনসহ এ ধরনের উগ্রবাদী সংগঠনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলাম এ দেশের সর্বস্তরের তৌহিদী জনতাকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।