‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন কমেছে’- আইনমন্ত্রী

১১:৪৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুলাই ২৩, ২০১৯ জাতীয়
ainmontri

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতিসংঘ নির্যাতনবিরোধী কনভেনশন (ইউএনসিএটি) বিষয়ে নাগরিক সমাজের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘একটাও যাতে বিচারবহির্ভূত হত্যা না হয়, আমরা সে দিকেই অগ্রসর হচ্ছি। নির্যাতন বন্ধে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন কমেছে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশের যেখানেই অপরাধ হচ্ছে, সেখানেই তা রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্ষণ বা অন্যান্য নির্যাতন বন্ধ করার জন্য সরকার অনেক চেষ্টা করছে। মাদক নির্মূলের জন্যও চেষ্টা করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, অ্যাসিড সন্ত্রাস দমনে যেমন দেশের মানুষ সবাই একত্র হয়েছিল, তেমনি এসব অপরাধ দমনে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করার জন্য সরকার বৈষম্য নিরোধ আইন প্রণয়ন করছে। এ আইনের খসড়া ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে। আগামী মাসে এটি মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে এবং সেখানে অনুমোদিত হলে সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাসের জন্য পাঠানো হবে।

আনিসুল হক বলেন, বৃটিশ ও পাকিস্তান আমলে জনগণকে শাসন করার জন্য পুলিশ বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলেছেন। আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারও জনবান্ধব সরকার। জনগণের অকল্যাণ হয় এমন কোনো কাজ তিনি করতে চান না।

মন্ত্রী বলেন, এই দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার ব্যবস্থা প্রথমে শেখ হাসিনাই নিয়েছেন। তার সরকার এই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ড, ধর্ষণ ও গণপিটুনির ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। কাউকে পেটানো সেটা গণ হোক, ব্যক্তি হোক, সেটা একটি অপরাধ।

গণপিটুনির ঘটনায় যাদের ধরা হচ্ছে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এদের বিচারের আওতায় আনা হবে। দেশের প্রচলিত আইনে যে বিচার তাদের হওয়া উচিত সেই বিচার হবে। দেশে যথেষ্ঠ ভালো আইন আছে। এগুলিতে এসব অপরাধে ফেলতে হবে।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শহীদুল হকের সভাপতিত্বে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক বক্তৃতা করেন। সিভিল সোসাইটির সদস্যরা জাতিসংঘ নির্যাতনবিরোধী কনভেনশন ও বাংলাদেশে এর পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে আলোচনা করেন।