সংবাদ শিরোনাম
নরসিংদীতে প্রথমবারের মতো সর্বাধুনিক কার ওয়াশ ও সার্ভিসিং সেন্টার উদ্বোধন | রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে ‘ফইন্নি গ্রুপের’ ৬ সদস্য আটক | এবার চমেক চিকিৎসকদের জন্য ‘নোবেল’ চাইলেন মেয়র নাছির | তানোরে অবৈধ এসটিসি ব্যাংক সিলগালা | ফাঁড়িতে আসামির মৃত্যু: পুলিশ-এলাকাবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩৩, পাঁচ পুলিশ প্রত্যাহার | লালমনিরহাটে সহকারী পরিচালকের বেত্রাঘাতে স্কুলছাত্রী অজ্ঞান | সাগরে মৎস আহরণে নিষেধাজ্ঞা, ফিশারিঘাট হারিয়েছে চিরাচরিত রুপ | ‘আবরার পানি খাইতে চাইলে পানি দেওয়া হয় নাই’ | নান্দাইলে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ রাখায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা | মাগরিবের আজানের ২০ মিনিটের মধ্যে ছাত্রীদের হলে ঢোকার নির্দেশ! |
  • আজ ২রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে আটক ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশ বিএনপি-জামায়াত’- তথ্যমন্ত্রী

১০:২৭ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৫, ২০১৯ জাতীয়
tottho

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ন্যাপ ভাসানী আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশের বেশি বিএনপি-জামায়াতের কর্মী।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যখন বাংলাদেশ পৃথিবীকে অবাক করে দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছে, তখন একটি কুচক্রীমহল প্রচণ্ডভাবে হতাশ। তারা রাজনৈতিকভাবে আমাদের মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে ও জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে নানা ধরনের হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা নানা ধরনের অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত গোষ্ঠী অপকৌশলের অংশ হিসেবে রটিয়েছে সরকারি অনুমোদন নিয়ে নাকি পদ্মা সেতুতে শিশু বলি দিতে হবে। তাও একটি-দুটি নয়, এক লাখ শিশু। এমন একটি গুজব রটিয়ে দেয়া হলো এবং সেই সূত্র ধরেই দেশে ছেলেধরা আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আতঙ্ক সৃষ্টিকারী কিছু মানুষ আর কিছু দুষ্কৃতকারী বিভিন্ন স্থানে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা পরিচালনা করেছে। এদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে। এদের অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশের বেশি হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত গোষ্ঠীর মানুষ। অর্থাৎ রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়ে তারা নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে।

সম্প্রতি গণপিটুনিতে কয়েকটি হত্যার ঘটনার প্রেক্ষাপটে সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে আইন হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশকে জানাতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সরকার। গুজব ছড়ানো ও আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া যে দণ্ডনীয় অপরাধ, সে বিষয়েও নাগরিকদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে নিজের হাতে আইন তুলে না নিয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।