• আজ ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ক্ষমা চাইলেন মেয়র আতিক

২:৫৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, আগস্ট ৭, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ডেঙ্গুজ্বরে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বুধবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে ডিএনসিসি নগর ভবনে মশক নিধন এবং কীটনাশক ছিটানো কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির বিভিন্ন কার্যক্রম এবং পদক্ষেপ তুলে ধরেন করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ এস এম মামুন।

এসময় ডিএনসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং মহানগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত সাতদিনে দেড় লাখ লিফলেট বিতরণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

একই সঙ্গে, এডিস মশার প্রজনন স্থল, সম্ভাব্য প্রজনন স্থল এবং লার্ভা পাওয়ায় বিভিন্ন ভবন মালিক ও কর্তৃপক্ষকে প্রায় ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সরকারি স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেল্থ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুসারে, গত ১ জানুয়ারি থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশের হাসপাতালে প্রায় ৩০ হাজার ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ হাজার ৯২১ জন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭ হাজার ৯৬৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৩৪৮ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৮৩, মিটফোর্ডে ১০৪, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ৩৮, শহীদ সোহরাওয়ার্দীতে ৮৬, বারডেমে ১৯, বিএসএমএমইউয়ে ৪৩, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ২৬, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২১, বিজিবি হাসপাতালে ৭, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ৪২ ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৪৮ জন ভর্তি হন। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ৪৬১ ও ঢাকা ছাড়া দেশের অন্যান্য বিভাগে ১ হাজার ৬৪ জন ভর্তি হন।

ঢাকা শহর ব্যতীত ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ২৭৩, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৩১, খুলনা বিভাগে ১৬৪, রংপুর বিভাগের ৬৬, রাজশাহী বিভাগের ১০৬, বরিশাল বিভাগে ১২৪, সিলেট বিভাগে ৩২ ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৬৮ জন ভর্তি হন।

সরকারি হিসাবে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৮ জন (এপ্রিল ২ জন, জুন তিনজন ও জুলাই মাসে ১৩ জন) বলা হলেও বেসরকারি হিসাবে এর সংখ্যা তিনগুণের বেশি হবে বলে বলা হচ্ছে।