• আজ ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটের অভাব নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪:৪২ অপরাহ্ণ | বুধবার, আগস্ট ৭, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ডেঙ্গু চিকিৎসায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট, স্যালাইন, ডাক্তার ও নার্সের কোনো কিছুর অভাব নেই। আমরা এ বিষয়ে সারা দেশে সকল জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দিয়েছি এবং আরো সতর্কভাবে কাজ করতে বলেছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি সব সময় নজর রাখছেন। প্রথম দিকে কিটের কিছু অভাব দেখা দিয়েছিল। আমরা সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নিয়ে ৫০ লাখ কিট আমদানির অনুমোদন দিয়েছি। এরই মধ্যে দুই লাখ কিট চলে এসেছে। আর কোনো সংকট হবে না।’

বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক আরও জানান, মন্ত্রণালয় থেকে হটলাইন চালু করা হয়েছে। যেখানে কেউ যদি ঠিকমতো চিকিৎসা না পান বা বেশি বিল রাখা হচ্ছে, এমন অনেক বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন বলে জানান মন্ত্রী।

ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জ্বর বা ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। আমরা ঢাকাসহ সারা দেশে চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে যা যা করা দরকার, তা-ই করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা নিশ্চিতে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটকে এক হাজার শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। রোগী বাড়লে আমরা প্রস্তুত আছি। তবে মনে হয় না সেটার প্রয়োজন হবে।’

ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত বেড নেই বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রয়োজন হলে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে আরও নতুন এক হাজার বেড, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে এক হাজার বেড, শিশু হাসপাতালেও বেশ কিছু নতুন বেড স্থাপন করা যাবে। এরই মধ্যে মিটফোর্ডে ১০০টি এবং বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে নতুন ২০০টি বেড বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

‘সবাইকে অনুরোধ করব কোনো নেতিবাচকতা নয়, আতঙ্ক নয়; সবাই মিলে কাজ করছি যাতে করে মানুষ ডেঙ্গু থেকে মুক্তি পায় এবং যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে যেন মানুষকে সুস্থ রাখা যায়,’ যোগ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তবে ঈদের সময় ঘিরে চিন্তা বাড়ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এরই মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের সবার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। চিকিৎসকরা দিন-রাত কাজ করছেন। প্রতিদিন ব্রিফিং করা হচ্ছে, মনিটর করা হচ্ছে। আসলে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি।’

ডেঙ্গুর উৎপত্তিস্থল ধ্বংসের চেষ্টা চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করতে পারলে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কারণ মশা তো ঘরের ভেতরেও আছে। মশা তাড়ানোর জন্য তো ঘরে যারা থাকেন, তাদেরও সচেতনতা দরকার।’