সংবাদ শিরোনাম
স্পেনে কর্মহীন প্রবাসীদের মাঝে ভালিয়েন্তে বাংলার খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম অব্যহত | হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোক, মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন | সবজি বিক্রি করতে হাটে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস চাপায় কৃষকের মৃত্যু | বিক্ষোভে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা | মসজিদের ইমামের গলায় জুতার মালা পড়ানো সেই চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার | ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা ভালো না | করোনায় মারা গেলেন ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. কিবরিয়া | চট্টগ্রামে একদিনে ৪৬৪ নমুনা পরীক্ষায় ১৪০ জনের করোনা শনাক্ত | সৌদি আরবে কেন করোনায় বাংলাদেশিরা বেশি মারা যাচ্ছেন? | হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় ৭৫ কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত সরকার |
  • আজ ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

প্রিয় স্কুলশিক্ষকের খোঁজ নিতে বাসায় তথ্যমন্ত্রী, নিলেন চরণধুলি

৯:৪২ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, আগস্ট ১০, ২০১৯ জাতীয়, স্পট লাইট

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:প্রিয় শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের খোঁজ নেওয়ার জন্য তার বাসায় চলে গেলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সেখানে গিয়ে তার পা ছুঁয়ে সালাম করেন আওয়ামী লীগের এই মন্ত্রী। চট্টগ্রামের সরকারি মুসলিম হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন তিনি। ১৯৭৮ সালে এই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করেন হাছান মাহমুদ।

১৯৯৪ সালে প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে অবসর নেন আশি বছর পার করা এই গুণী শিক্ষক। সময়ের পরিক্রমায় ড. হাছান মাহমুদ এখন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক। রাষ্ট্রীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে দিন-রাত ব্যস্ত থাকলেও ভুলতে পারেননি মুসলিম হাইস্কুল এবং প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতি।

ভালোবাসার টানে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় শৈশবের স্মৃতি জড়ানো বিদ্যাপিঠ মুসলিম হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাককে তার বাসায় দেখতে যান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

প্রিয় ছাত্রকে পায়ে ধরে সালাম করতে দেখার সঙ্গে সঙ্গে চোখ ভিজে যায় প্রবীণ শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের। প্রিয় শিক্ষকের সান্নিধ্যে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তথ্যমন্ত্রীও। এ সময় একই ব্যাচের শিক্ষার্থী জামাল নাসের চৌধুরী ও এসএম ইলিয়াছ দুলালও তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

প্রিয় শিক্ষকের সঙ্গে স্কুলজীবনের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, স্কুলজীবনে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় আপনি একবার আমার বাবাকে অভিযোগ দিয়ে বলেছিলেন আমি পড়ালেখার চেয়ে রাজনীতি নিয়ে ঘুরছি বেশি। এরপর বাবা আমাকে প্রচণ্ড পিটিয়েছিলেন।