কাল ঈদুল আযহা, কদর বেড়েছে মাংস কাটার খাটিয়ার

৬:০৯ অপরাহ্ণ | রবিবার, আগস্ট ১১, ২০১৯ দেশের খবর

আগামী কাল ঈদুল আযহা। এরই মধ্য অনেকে কিনে ফেলেছেন কোরবানীর পশু। ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে দা, বটি, ছুরি, চাপাতির ক্রয় ও মেরামত করাও প্রায় শেষে। এই ঈদে মাংস কাটার অন্যতম অনুসঙ্গ হলো খাটিয়া (গাছের গুড়ি)। তাই এখন কদর বেড়েছে মাংস কাটার খাটিয়ার। সেই সাথে ব্যস্ততাও বেড়েছে খাটিয়া ব্যবসায়ীদের।

মাঝারি আকৃতির গাছের শেষ ভাগ চাকা চাকা করে কাটে তৈরী করা হয় এই খাটিয়া। সাধারণত মাংস কাটার সুবিধার জন্যই এটি তৈরি করা হয়।

রবিবার সকালে নন্দীগ্রাম উপজেলার বাসষ্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দেখা যায় ব্যবসায়ীরা খাটিয়া সাজিয়ে বসেছে বিক্রয়ের জন্য। ধুমধামের সাথে চলছে বিক্রি। দুইশ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্ছ চারশ টাকার দয়ে বিক্রি হচ্ছে এসব খাটিয়া।

খাটিয়া বিক্রেতা বাদশা মিয়া জনানা, এই খাটিয়ায় তৈরীতে সাধারণত তেতুঁল ও নিম কাঠ ব্যবহার করা হয়। কারণ এ কাঠ গুলো অন্য কাঠের চেয়ে শক্ত। তিনি আরও জানান, মুলত মাংস কাটার কাজে এই খাটিয়া ব্যবহার হয়। ঈদুল আযহার সময় এই খাটিয়ার চাহিদা বেড়ে যায়।

কাঠ ব্যবসায়ী মাসুদ জানান, তারা প্রতিবছর কোরবানীর ঈদে বিভিন্ন ছ’মিল থেকে ছোট ছোট গুড়ি ক্রয় করেন। এরপর সেগুলো মাংস কাটার উপযোগী করে নির্দিষ্ট মাপে টুকরা করে খাটিয়া তৈরি করে বাজারে বিক্রয় করেন।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাংস কাটার কাজের সুবিধার্থে বাজার থেকে খাটিয়া কিনে নিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ক্ষুদ্র ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এসব খাটিয়ার পসরা নিয়ে বসেছেন নন্দীগ্রাম পৌর শহরের কয়েকটি বাজারে। বাসষ্ট্যান্ড, নতুন বাজার, পুরাতন বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী ভাবে দোকান বসিয়ে বিক্রি হচ্ছে এসব খাটিয়া। সেখানে বিভিন্ন মাপের বিভিন্ন দামের খাটিয়া সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

কথা হয় ক্রেতা নোমানের সাথে তিনি বলেন, প্রতি বছর ঈদুল আযহায় শখ করে একটি করে খাটিয়া কিনি। মাংসা কাটার কাজে এটি ব্যবহার করি। খাটিয়া কেনাটাও ঈদের একটি আনন্দ।

নন্দীগ্রাম পৌরসভার কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জানান, কোরবানির পশুর মাংস কাটার জন্য খাটিয়া প্রয়োজন হয়। শুধু কোরবানির ঈদেই খাটিয়া কেনা হয়। এছাড়া বছরের অন্য কোন সময়ে খাটিয়া কেনা হয় না। তবে গত বছরের চেয়ে এবার খাটিয়ার দাম একটু বেশি, তারপরেও কিনতে হচ্ছে।