• আজ ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ঢাকাতে কাজ করবেন ১৪ হাজার কর্মী

১:৫৮ অপরাহ্ণ | সোমবার, আগস্ট ১২, ২০১৯ ঢাকা
kurbani

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ সোমবার (১২ আগস্ট) রাজধানীজুড়ে কোরবানির পর সৃষ্ট হওয়া পশুর বর্জ্য অপসারণে কাজে নামছে প্রায় ১৪ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী। শনিবার (১০ আগস্ট) রাতের মধ্যেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পৌঁছে গেছে বর্জ্য বহনকারী ব্যাগ, বস্তা, ব্লিচিং পাউডার, ফিনাইলসহ অন্য যাবতীয় জিনিস। এছাড়াও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে বর্জ্য অপসারণের জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।

সোমবার দুপুর ২টায় উত্তরা থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। অন্যদিকে দুপুর পৌনে ৩টায় ধোলাইখালের সাদেক হোসেন খোকা মাঠের সামনের জায়গা থেকে নিজ এলাকায় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকন।

ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর জাহিদ হোসেন জানান, তাদের নিয়মিত কর্মী পাঁচ হাজার ২শ ৪১ জন। সঙ্গে থাকছে পিডাব্লিউসিএসপিএর প্রায় তিন হাজার কর্মী। অন্যদিকে ডিএনসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মঞ্জুর হোসেন জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএনসিসিতে এবার প্রায় ছয় হাজার কর্মী কাজ করবে। এদের মধ্যে ডিএনসিসির নিয়মিত কর্মী প্রায় আড়াই হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পিডাব্লিউসিএসপিএর প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মী বর্জ্য অপসারণে কাজ করবে।

নিজের এলাকা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকন। অন্যদিকে আগে থেকে সময় বলার থেকে কাজ করে দেখাতে বিশ্বাসী উত্তরের নগরপিতা আতিকুল ইসলাম। দুই সিটি করপোরেশনে এবার প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ কোরবানির পশু জবাই হওয়ার অনুমান করছে সংস্থা দু’টি।

সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, দ্রুতসময়ে বর্জ্য অপসারণের জন্য আমাদের নিজস্ব লোকবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের পাশাপাশি আমরা আউটসোর্সিং করেছি এবার। ঈদের আগের দিন থেকে ঈদের পরবর্তী দু’দিন নিরবচ্ছিন্নভাবে বর্জ্য অপসারণের জন্য বর্জ্যবাহী ড্রাম্প ট্রাক ও খোলা ট্রাক ১৬৯টি, ভারী যান-যন্ত্রপাতি ২৮টি, পানির গাড়ি ১১টি, বেসরকারি ৮২টি এবং ভাড়ায় ১৪৮টি পিকআপভ্যানসহ সর্বমোট ৪৩৮টি গাড়ি নিয়োজিত থাকবে। কোরবানির পশুর বর্জ্যে যাতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে জবাইয়ের স্থানে ১০টি ওয়াটার বাউজার দিয়ে তরল জীবাণুনাশক মিশ্রিত পানি স্প্রেকরণের ব্যবস্থা থাকছে এবার।

আতিক আরও বলেন, আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করেছি কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার জন্য। আমরা বলেছি, নগরবাসী যদি এখানে পশু নিয়ে আসেন তাহলে তাদের বাড়িতে বাড়িতে গাড়ি দিয়ে মাংস বিনামূল্যে পৌঁছে দেবো।